বেলা সোয়া দুইটার দিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে এলে লঞ্চ চলাচল শুরু হয়। এর আগে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা যেসব যাত্রী দৌলতদিয়া লঞ্চঘাটে এসে নদী পাড়ি দিতে আসেন, তাঁদের বিকল্প হিসেবে ফেরিতে নদী পাড়ি দিতে অনুরোধ জানানো হয়। একইভাবে পাটুরিয়া প্রান্তে নদী পাড়ি দিতে আসা যাত্রীদেরও ফেরিতে পাড়ি দিতে অনুরোধ জানানো হয়। বর্তমানে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে ১৭টি লঞ্চ চলাচল করছে।

আরিচা লঞ্চ মালিক সমিতি দৌলতদিয়া ঘাট শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপক নুরুল আনোয়ার মিলন বলেন, ‘বৈরী আবহাওয়ায় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা যাত্রীরা দ্রুত নদী পাড়ি দিতে লঞ্চঘাটে আসেন। অনেকে হালকা বৃষ্টির মধ্যেও লঞ্চে নদী পাড়ি দেন। কিন্তু দুপুর থেকে বৃষ্টির সঙ্গে বাতাস শুরু হলে নদীপথ উত্তাল হয়ে বড় বড় ঢেউয়ের সৃষ্টি হয়। এতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা দেখা দেয়। এ কারণে কর্তৃপক্ষ লঞ্চ চালানো বন্ধ করে দিতে বলে। এ সময় আমরা যাত্রীদের ফেরিতে নদী পাড়ি দিতে অনুরোধ করি। বিকেল পর্যন্ত বৈরী আবহাওয়ায় লঞ্চে যাত্রী পারাপার অব্যাহত রয়েছে।’

বিআইডব্লিউটিসির দৌলতদিয়া কার্যালয়ের সহকারী ব্যবস্থাপক খোরশেদ আলম বলেন, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে ছোট-বড় মিলে ১৬টি ফেরি চলাচল করছে। সব কটি ফেরি চালু থাকায় যানবাহনের চাপ খুব বেশি একটা নেই। তবে বৈরী আবহাওয়ায় প্রতিটি ফেরিঘাটের (৩, ৪, ৫ ও ৭ নম্বর) সংযোগ সড়ক পিচ্ছিল হওয়ায় লোড-আনলোডে কিছু সমস্যা হচ্ছে। এ ছাড়া ৫ নম্বর ঘাটের সঙ্গে ফেরির ধাক্কায় একটি পকেটের কব্জা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ওই পকেটটি বন্ধ রয়েছে। এতে যানবাহন পারাপার কিছুটা ব্যাহত হওয়ায় শতাধিক যানবাহন নদী পাড়ি দিতে অপেক্ষা করছে।