ঠাকুরগাঁওয়ে এক আইনজীবীর স্ত্রীকে হত্যার দায়ে এক ব্যক্তিকে গতকাল সোমবার ফাঁসি দিয়েছেন আদালত। একই দিন নীলফামারীতে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীকে ফাঁসি দিয়েছেন আদালত।

ঠাকুরগাঁওয়ে আইনজীবী বদিউজ্জামান চেীধুরীর স্ত্রী উম্মে কুলসুমকে (৬০) হত্যার দায়ে তাঁর পালিত ছেলে ফয়সালকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। ঠাকুরগাঁও জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেন এ রায় দেন। মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ সূত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ৮ জানুয়ারি বদিউজ্জামান বাড়িতে গিয়ে তাঁর স্ত্রীকে হাত-পা বাঁধা ও গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় দেখতে পান। তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁর স্ত্রীকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় বদিউজ্জামান ঠাকুরগাঁও সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরের দিন তাঁর পালিত ছেলে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ছোট বালিয়া গ্রামের ফয়সালকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে।

নীলফামারীতে স্ত্রী মিনুয়ারা বেগমকে হত্যার দায়ে স্বামী রবিউল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। নীলফামারীর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ রেজা মোহাম্মদ আলমগীর হাসান এই রায় দেন। রবিউলের বাড়ি সৈয়দপুর উপজেলার শ্বাসকান্দ ডাঙ্গাপাড়া গ্রামে। তাঁর স্ত্রী একই উপজেলার শ্বাসকান্দ তালতলাপাড়ার নূর ইসলামের মেয়ে। মামলার বিবরণ সূত্রে জানা গেছে, ২০০৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর রাতে মিনুয়ারাকে (২০) গলা টিপে হত্যা করেন রবিউল। ঘটনার পরের দিন মিনুয়ারার বাবা নূর ইসলাম সৈয়দপুর থানায় জামাতাকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। জেলা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অক্ষয় কুমার রায় জানান, রবিউল ইসলাম ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন