বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে খাদ্যদ্রব্যে ট্রান্সফ্যাটি অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণ প্রবিধানমালা বাস্তবায়ন শীর্ষক আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ট্রান্সফ্যাট–যুক্ত অনিরাপদ খাদ্য গ্রহণের ফলে মানুষ নানান রোগব্যাধিতে আক্রান্ত হয়, অনেকের অকাল মৃত্যুও ঘটে। ট্রান্সফ্যাটযুক্ত খাবার হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিসহ হৃদ্‌রোগজনিত মৃত্যুঝুঁকি বৃদ্ধি করে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বাজারে ডুবো তেলে মুচমুচে করে ভাজা খাবার হচ্ছে ট্রান্সফ্যাটে ভরা। সাধারণত হাইড্রোজেনেটেড তেলেই তা ভাজা হয়, একবার ব্যবহারের পর যে বাড়তি তেল থাকে, সেটা লাগাতার ব্যবহার করা হয়। পুরোনো তেল ফেলে দেওয়া হয় না। আলুর চিপস, শিঙাড়া, জিলাপি, কচুরি, পাকোড়া, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, বার্গার ইত্যাদিতে ট্রান্সফ্যাট বেশি ব্যবহৃত হয়। প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন মন্দার বাজারে সস্তায় ভোজ্য স্নেহপদার্থের জোগান দেওয়ার জন্য হাইড্রোজেনেটেড তেল তৈরি হয়েছিল। তার পর ক্রমশ এর ব্যবহার বাড়তে আরম্ভ করে। ১৯৮০ সালের পর ক্ষতিকারক দিকগুলো সামনে আসে। এরপর থেকেই উন্নত দেশগুলোতে মার্জারিন, বনস্পতির মতো হাইড্রোজেনেটেড ফ্যাট (চর্বি) ব্যবহারে রাশ টানার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

জাতীয় অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার (অব.) আবদুল মালিক এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল কাইউম সরকার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক নাজমা শাহিন এবং গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটর (জিএইচএআই) এর দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক বন্দনা শাহ।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন