default-image

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার রাজ্জাকের মোড় এলাকায় বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কে যাত্রীবাহী দুটি বাসের সংঘর্ষে অন্তত ৩২ জন যাত্রী নিহত হয়েছে। আহত হয়েছেন ২০ জন।

আজ সোমবার বিকেল সোয়া চারটার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এদিকে এ ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বাস দুটির মধ্যে কেয়া পরিবহনের বাসটি ঢাকা থেকে রাজশাহী যাচ্ছিল এবং অন্যটি নাটোর থেকে গুরুদাসপুরগামী অথৈ পরিবহনের বাস ছিল।
নিহত যাত্রীদের মধ্যে অথৈ পরিবহনেরই ৩০ জন। তাদের মধ্যে চারজন নারী। নিহত লোকজনের বেশির ভাগই নাটোরের গুরুদাসপুরের বাসিন্দা।

বনপাড়া হাইওয়ে থানায় গিয়ে এই প্রতিবেদক ২৭টি লাশ দেখতে পান। আর দুর্ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনের লাশ নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে স্থানীয় লোকজন জানান।

বড়াইগ্রাম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুকমল রায় এই প্রতিবেদককে জানান, আহত যাত্রীদের বনপাড়া আমেনা হাসপাতাল, পাটোয়ারী হাসপাতাল, জয়নব হাসপাতাল ও নাটোর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বনপাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফুয়াদ রুহানী বলেন, নিহত ব্যক্তিদের স্বজনেরা যেসব লাশ শনাক্ত করতে পেরেছেন সেসব লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আর অন্য লাশগুলো থানায়ই রাখা হয়েছে।

তদন্ত কমিটি গঠন
এদিকে এ দুর্ঘটনা তদন্তে নাটোরের অতিরিক্তি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আলীকে প্রধান করে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন নাটোরের সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল) ও বিআরটিএর সহকারী পরিচালক।
কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। আজ বিকেলে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা আবু নাছের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই কমিটি গঠনের কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন