বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আদালতে দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান, এ কে এম ফজলুল হক। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন। হাইকোর্টে করা পৃথক রিট আবেদনকারীদের পক্ষে আইনজীবী প্রবীর নিয়োগী, মুরাদ রেজা, মাহবুব উদ্দিন খোকন, আরশাদুর রউফ ও মো. রুহুল কুদ্দুস শুনানিতে ছিলেন।

পরে আইনজীবী খুরশীদ আলম খান প্রথম আলোকে বলেন, দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া পৃথক তিনটি রায় ও দুটি আদেশের ক্ষেত্রে দুদকের করা পৃথক পাঁচটি লিভ টু আপিলের শুনানি শেষ হয়েছে। আপিল বিভাগ ২৭ সেপ্টেম্বর রায়ের জন্য তারিখ রেখেছেন।

এর আগে দেশত্যাগে বিরত রাখার বৈধতা নিয়ে নরসিংদীর মো. আতাউর রহমানের করা এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ মার্চ হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ রায় দেন। রায় অনুসারে এ বিষয়ে যতক্ষণ পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট আইন বা বিধি প্রণয়ন না হচ্ছে অনুসন্ধান ও তদন্ত পর্যায়ে কাউকে বিদেশ যেতে বিরত রাখতে হলে সংশ্লিষ্ট আদালত থেকে অনুমতি নিতে হবে।

অন্যদিকে পাসপোর্ট জব্দ ও দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে মো. আহসান হাবিব নামের এক ব্যক্তির করা রিটের ওপর চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে গত ১৪ মার্চ রায় দেন হাইকোর্টের অপর একটি দ্বৈত বেঞ্চ। এই রায় অনুসারে অপরাধের অনুসন্ধান বা তদন্তকালে জরুরি পরিস্থিতিতে কোনো ব্যক্তিকে দেশত্যাগে বিরত রাখা ও পাসপোর্ট জব্দ করা হলে কমিশন বা তদন্তকারী কর্মকর্তাকে পরে অনুমোদনের জন্য সিনিয়র স্পেশাল জজ বা স্পেশাল জজ আদালতে আবেদন করতে হবে। দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা ও পাসপোর্ট জব্দের সিদ্ধান্তের সম্ভাব্য ১৫ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে। আর কমিশন এমন আবেদন করলে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি বা পক্ষের ন্যায্য সুযোগ নিশ্চিতে স্পেশাল জজ ওই আবেদন যত দ্রুত সম্ভব নিষ্পত্তি করবেন, সম্ভাব্য আবেদন গ্রহণের ৬০ দিনের মধ্যে।

বিদেশ যেতে নিষেধাজ্ঞার বৈধতা নিয়ে বিএনপি নেতা আবদুল আউয়াল মিন্টুর ছেলে তাফসির আউয়ালের করা এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে গত মাসে হাইকোর্ট রুল দিয়ে তিন মাসের জন্য তাঁকে বিদেশ যেতে অনুমতি দিয়েছিলেন। হাইকোর্টের পৃথক রায়, আদেশসহ পাঁচটি ক্ষেত্রে দুদক পৃথক লিভ টু আপিল করে, যার ওপর ৭ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগে শুনানি শুরু হয়। একসঙ্গে শুনানি শেষে আজ আদালত রায়ের জন্য ২৭ সেপ্টেম্বর দিন রাখেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন