বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বার্ষিক মানবাধিকার প্রতিবেদনের বিভিন্ন অংশে অসংগতি আছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এই প্রতিবেদনে এমন কিছু বিষয় আছে যা বাংলাদেশের বাস্তবতা থেকে যোজন যোজন পথ দূরের বিষয়। এমন অনেক কিছু আছে যেগুলো আমরা একেবারে প্রত্যাখ্যান করছি। যা কখনোই মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। বিশেষ করে সমকামীদের অধিকারের বিষয়টি।’

মো. শাহরিয়ার আলম জানান, প্রতিবেদনের একটি অংশে মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের প্রসঙ্গ টেনে ২০১৮ সালে বাংলাদেশে ২৭৫টি বিচারবহির্ভূত হত্যার কথা বলা হয়েছে। অথচ প্রতিবেদনে আরেকটি অংশে ওই সময়ে বাংলাদেশে ৬০৬টি বিচারবহির্ভূত হত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে যে তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে তাতে বড় ধরনের সমস্যা আছে। যেসব রাষ্ট্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে তাতে মৌলিক কিছু ভুল আছে বলে মন্তব্য করা হয়েছে। ফলে এই বিষয়গুলো নিয়ে আদৌ প্রশ্ন তোলা যায় কি না, সেটি এখন সামনে এসেছে। মার্কিন প্রতিবেদনে তথ্যের উৎস যা ব্যবহার করা হয়েছে তা খুব দুর্বল। নিকট অতীতে দেখা গেছে তাদের সবার রাজনৈতিক অ্যাজেন্ডা আছে।

র‌্যাবের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের কোনো ভালো প্রতিষ্ঠানকে দুর্বল করে দেওয়ার চেষ্টা সরকার ভালো চোখে দেখবে না। বাংলাদেশ জঙ্গিবাদের মূলোৎপাটন করেছে কিন্তু এখানেও সমস্যা তৈরি হতে পারে। এ কারণে র‍্যাবের মতো জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিন্দা না করার অনুরোধ করেন তিনি।

মার্কিন প্রতিবেদনের বিষয়ে ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে কি না, জানতে চাইলে শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘এই প্রতিবেদনের বিভিন্ন তথ্যের বিষয়ে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে তথ্য যাচাই–বাছাইয়ের পর আলোচনায় বসা হবে।

আমরা তাদের কাছে জানতে চাইব এই রিপোর্টে যেসব অসংগতিপূর্ণ তথ্য এবং অন্যান্য তথ্য দেওয়া হয়েছে—সেগুলো কেন দেওয়া হলো এবং যেখানে কাজ করার সুযোগ রয়েছে, সেখানে আমরা তাদের সঙ্গে যুক্ত হব।’

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন