বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) সূত্রে জানা গেছে, নতুন এ নিয়ম চালু করতে ইতিমধ্যে দেশের বিমানবন্দর ও স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষগুলোকে চিঠি দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ সংক্রান্ত আদেশ শিগগিরই জারি করবে বন্দর কর্তৃপক্ষগুলো।

গত ৭ এপ্রিল বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বেবিচক চেয়ারম্যানকে অনলাইনে হেলথ ডিক্লারেশন ফরম পূরণ সংক্রান্ত পদ্ধতি বাস্তবায়ন করতে একটি চিঠি দেয়। চিঠিতে বলা হয়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আন্তর্জাতিক বিধি-২০০৫ অনুযায়ী, পাবলিক হেলথ ইমারজেন্সি অব ইন্টারন্যাশনাল কনসার্ন (পিএইচইআইসি) চলাকালীন দেশে আসা যাত্রীদের এইচডিএফ পূরণ করতে হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক মো. নাজমুল ইসলামের স্বাক্ষর করা ওই চিঠিতে আরও বলা হয়, সমস্যা নিরসনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (এমআইএস) শাখা একটি অনলাইন এইচডিএফ তৈরি করেছে। অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে (healthdeclaration.dghs.gov.bd) গিয়ে এইচডিএফ ফরম পূরণ করতে হবে।

দেশে প্রবেশের তিন দিন আগে এইচডিএফ পূরণ করে জমা দেওয়াসহ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চিঠিতে চারটি প্রস্তাবনা উল্লেখ করা হয়েছে। বাকি তিনটি হলো, যাত্রীদের কাছে কিউআরকোডসহ এইচডিএফ আছে কি না তা এয়ারলাইনস অপারেটররা বোর্ডিংয়ের আগে নিশ্চিত করবে, যাত্রীরা কিউআরকোডসহ হেলথ ডিক্লারেশন কার্ডটি (সফট বা প্রিন্ট কপি) ইমিগ্রেশনে দেখাবেন এবং কোনো যাত্রীর করোনার উপসর্গ থাকলে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ইমিগ্রেশনের আগে হেলথ ডেস্কে যোগাযোগ করবেন।

এ বিষয়ে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নবনিযুক্ত নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করছি। দ্রুত এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।’