বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আনোয়ারুল্লাহ চৌধুরী। তিনি বলেন, দেশে এক ব্যক্তির শাসন কায়েম হয়েছে। তাঁর কথা ছাড়া পাতাও নড়ে না।

আনোয়ারুল্লাহ চৌধুরী আরও বলেন, দেশে যে ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম হয়েছে, তাতে কি বুদ্ধিজীবীদের ভূমিকা নেই? নিশ্চয়ই আছে। বুদ্ধিজীবী, পেশাজীবী, সাংবাদিক, শিক্ষক, আইনজীবী ও চিকিৎসক—সবার ভূমিকা আছে। বুদ্ধিজীবীরা ফ্যাসিবাদী সরকারের তল্পিবাহক।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করে লেখক ফরহাদ মজহার বলেন, একটি দেশে গণমাধ্যম যদি না থাকে, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, যেটিকে দার্শনিকেরা বলেন চিন্তা ও বিবেকের নিশ্চয়তা, তা যদি না থাকে, সেটিকে গণতন্ত্র বলা হয় না। চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা বাংলাদশে নেই।

বিএফইউজের সভাপতি এম আবদুল্লাহর সভাপতিত্বে সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবদুল লতিফ, নিউ নেশন–এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোস্তফা কামাল মজুমদার, সাংবাদিক নেতা শওকত মাহমুদ, এম এ আজিজ, নুরুল আমিন, ইলিয়াস খান, কাদের গণি চৌধুরী, শহীদুল ইসলাম, আইনজীবী নাসরিন সুলতানা প্রমুখ।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন