default-image

দেশে জানুয়ারি মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত ৩২ রোগী পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ঢাকা মহানগরে ১৯ জন, আর ঢাকার বাইরে ১৩ জন। অবশ্য, তাদের প্রায় সবাই চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছে। আজ রোববার পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত দুই ব্যক্তি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। চলতি বছরের প্রথম মাসে ডেঙ্গুতে কারও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশনস সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি মাসে ঢাকার বেসরকারি হাসপাতালে ১৬ জন ও সরকারি হাসপাতালে ৩ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। ঢাকার বাইরে যশোর জেলায় রোগী ছিল ৭ জন, শরীয়তপুরে ৩ জন, রাজবাড়ীতে ২ জন ও খুলনায় ১ জন।

সাধারণত এপ্রিল থেকে অক্টোবর পর্যন্ত সময়কে ডেঙ্গু মৌসুম হিসেবে ধরা হয়। ২০২০ সালে সারা দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগী ছিল ১ হাজার ৪০৫ জন। গত বছরের জানুয়ারি মাসে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিল ১৯৯ জন। ২০১৯ সালে জানুয়ারিতে আক্রান্ত ছিল ৩৮ জন।

বিজ্ঞাপন

২০১৯ সালে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্তের সংখ্যা এর আগের সব বছরের রেকর্ড ছাড়িয়েছিল। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে দেখা যায়, ২০১৯ সালে সারা দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিল ১ লাখ ১ হাজার ৩৫৪ জন।

প্রথম আলোসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে প্রায় ৩০০ লোক প্রাণ হারিয়েছে। আর সরকারি হিসাবে মৃতের সংখ্যা ১৭৯।

গত বছর ডেঙ্গুর এত প্রকোপ দেখা যায়নি। ডেঙ্গু মৌসুম শুরুর আগেই স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দেশের সিটি করপোরেশনগুলোকে নিয়ে একাধিক প্রস্তুতিমূলক সভা হয়। মশকনিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের বছরব্যাপী কর্মপরিকল্পনা জমা দেয় সিটি করপোরেশনগুলো। বছরব্যাপী নিয়মিত মশকনিধন–বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সর্বশেষ ২১ জানুয়ারি ঢাকা মহানগরসহ সারা দেশে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সিটি করপোরেশন ও অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও সংস্থার কার্যক্রম পর্যালোচনার জন্য অষ্টম আন্তমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। তাতে রাজধানীতে মশার উপদ্রব বেড়ে যাওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়। স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম মশার উপদ্রব বাড়ার বিষয়টি আমলে নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন