বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তরুণদের উদ্দেশে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেন, গণতন্ত্র না থাকলে অন্য কোনো কিছু দিয়ে বড় সৃষ্টি সম্ভব না। সব দেশেই স্বৈরতন্ত্র আসার তোড়জোড় দেখা যাচ্ছে। কিছু ক্ষমতালিপ্সু মানুষ সব সময় স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে নিজেদের ভোগ বিলাস ও উচ্চতর জীবনকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। সাধারণ মানুষ চিরদিন নিপীড়িত থেকেছে এবং গণতন্ত্রের সংগ্রাম করেছে।

দি হাঙ্গার প্রজেক্টের গ্লোবাল ভাইস প্রেসিডেন্ট, কান্ট্রি ডিরেক্টর ও সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, গত ৫০ বছরে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়েছে। তবে মুক্তিযোদ্ধাদের স্বপ্নের উন্নত, সমৃদ্ধ, ধর্মনিরপেক্ষ, শান্তি ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়তে হলে আরও অনেক দূর যেতে হবে।

সম্মেলনে ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট ডিকসন গত ৫০ বছরে বাংলাদেশের সাফল্যের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বের হতে পারা বাংলাদেশের জন্য বড় অর্জন। উন্নয়শীল দেশগুলোর জন্য বাংলাদেশ রোল মডেল। মধ্য আয়ের দেশ হতে গেলে বাংলাদেশের জন্য আগামী দশকগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ। গণতন্ত্র, মানবাধিকার, অসাম্প্রদায়িকতা বাংলাদেশের জন্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তরুণ সমাজ বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক সোহরাব হাসান বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনাকারীরা জনগণের আকাঙ্ক্ষার বিপরীতে চলেছে। শুধু নিজে ভালো থাকা নয়, অন্যকে ভালো রাখার মধ্যে দিয়েই সবাইকে ভালো থাকতে হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, তরুণেরা সম্প্রীতি ও সমতার দেশ গড়তে আরও সক্রিয় হবে।

ব্রিটিশ কাউন্সিলের ইনক্লুসিভ কমিউনিটি অ্যান্ড আর্টসের পরিচালক শাহনাজ করিম বলেন, দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশের এখন শক্তিশালী গণতন্ত্র কাঠামো প্রতিষ্ঠায় মনোযোগ দিতে হবে। অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন, স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা ও মানবাধিকার সুরক্ষা, স্বাধীন গণমাধ্যম—এসব ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে কাজ করতে হবে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন