default-image

তরুণেরা তো কত কাজই করেন। ৩১ ডিসেম্বর বেলা ১১টা থেকে একটা পর্যন্ত ১২ হাজারেরও বেশি তরুণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে নামছেন। ঢাকাসহ বিভাগীয় শহরে তাঁরা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করবেন। এই তরুণেরা স্বেচ্ছাসেবী। তাঁরা পরিবেশ নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত।

আজ রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘দেশটাকে পরিষ্কার করি দিবস ২০১৪’-এর প্রস্তুতি উপলক্ষে ‘পরিবর্তন চাই’ নামক এক সংগঠন আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। এই সংগঠন ৩১ ডিসেম্বর ‘দেশটাকে পরিষ্কার করি’ দিবস পালন করবে। সংগঠনটি এক বছর ধরে দেশ পরিষ্কার আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত। এরই প্রক্রিয়া হিসেবে এ দিবস পালন করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির চেয়ারম্যান ফিদা হক বলেন, ‘কত ধরনের দিবসই তো আমরা পালন করি। একটা দিন দেশটাকে পরিষ্কার করার জন্য থাকুক।’ ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সহপ্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা নুরুল হোসেন খান শহরের বিভিন্ন স্থানে পরিবর্তন চাইয়ের উদ্যোগে ডাস্টবিন বসানোর জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি সবাইকে এগুলো নিয়মিত ব্যবহার ও অন্যদেরও এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়ার অনুরোধ জানান।

সংবাদ সম্মেলনে স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন বলেন, রাজনৈতিক সদিচ্ছা ছাড়া সুন্দর এবং পরিচ্ছন্ন দেশ পাওয়া সম্ভব নয়।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন নগর পরিকল্পনাবিদ সালমা এ শফি, স্থপতি ইকবাল হাবিব ,অস্ট্রেলিয়ার ক্লাইমেট অ্যাকশন ক্যানবেরার যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুল আহসান খান, ব্রতীর সিইও শারমিন মুর্শিদ, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) প্রতিনিধি শরিফ জামিল, পাঞ্জেরী পাবলিকেশনসের পরিচালক কামরুল হাসান প্রমুখ। দেশটাকে পরিষ্কার করি দিবস ২০১৪ পালনে সহায়তা করছে পাঞ্জেরী পাবলিকেশন, বাংলা ট্যাক, ওয়াটার এইড, কিউবি, সূর্যমুখী লিমিটেড ও ওয়ার্ল্ড ভিশন।

সংবাদ সম্মেলন শেষে প্রথম আলোকে পরিবতর্ন চাইয়ের নির্বাহী পরিচালক নাহিদ সুলতানা বলেন, এটি একটি সামাজিক আন্দোলন। কাজটি মূলত করার কথা সরকারি প্রতিষ্ঠানের। তবে প্রতিষ্ঠানগুলো সে দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারছে না বলেই এ উদ্যোগ। এ উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন সিটি করপোরেশন ও মিউনিসিপ্যালের প্রতিনিধিরাও সমর্থন দিয়েছেন। কাজে বাধা না দিয়ে তাঁরা সহায়তা করছেন।

নাহিদ সুলতানা আরও বলেন, ‘অনেকেই আমাদের কাজ দেখে ঠাট্টা করেন। তাঁরা বলেন আমরা মোদিকে দেখে মাঠে নেমেছি। তবে কথাটা ঠিক নয়। কেননা, আমরা এ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত দেড় বছর ধরে। মাঠে-ময়দানে কাজ হচ্ছে জানুয়ারি মাস থেকে। আমরা চাই দেশের বিভিন্ন জায়গাকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এলাকা হিসেবে ঘোষণা করতে। তাই শুধু এক দিন দিবস পালন করে থেমে গেলেই চলবে না। সবাইকে নিয়ে কাজ করতে হবে।’

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন