বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ সকাল থেকে খোলা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার (বিজ্ঞান শাখাসহ) ও বিভাগ-ইনস্টিটিউটের সেমিনার গ্রন্থাগারগুলো। গ্রন্থাগারের মূল ফটকে শিক্ষার্থীদের শারীরিক দূরত্ব মেনে প্রবেশের জন্য প্রতি তিন ফুট পর বৃত্তাকার চিহ্ন দেওয়া হয়েছে। প্রথমে টিকার প্রমাণপত্র ও পরিচয়পত্র দেখিয়ে ঢুকতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। এরপর ভেতরে শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা করা হচ্ছে। ফটকের ভেতরে শিক্ষার্থীদের জন্য মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও হাত ধোয়ার ব্যবস্থা আছে।

default-image

সরেজমিনে দেখা যায়, গ্রন্থাগারের ফটকে স্বাস্থ্যবিধি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে কঠোর নজরদারি করছেন গ্রন্থাগারের কর্মকর্তারা। সকালে কিছু শিক্ষার্থী লাইন ধরে গ্রন্থাগারে প্রবেশ করেন। কিছুক্ষণ পরপর শিক্ষার্থীরা আসতে থাকেন। বাইরে থেকে কোনো বইপত্র নিয়ে কাউকে গ্রন্থাগারে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। যাচাই করা হচ্ছে টিকার প্রমাণপত্র ও পরিচয়পত্রের বিষয়টি। স্নাতক চতুর্থ বর্ষ ও স্নাতকোত্তর শ্রেণির বাইরে অন্য শিক্ষার্থীদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না।

আজ থেকে সপ্তাহে পাঁচ দিন (রোববার-বৃহস্পতিবার) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার ও বিভাগ-ইনস্টিটিউটের সেমিনার গ্রন্থাগারগুলো খোলা থাকবে। তবে এ পর্যায়ে সেখানে শুধু স্নাতক চতুর্থ বর্ষ ও স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করার সুযোগ পাবেন। ধাপে ধাপে অন্যান্য বর্ষের শিক্ষার্থীরাও পড়ার সুযোগ পাবেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারে সাধারণত চাকরিপ্রার্থীদের পড়াশোনা করতে দেখা যায়৷ গ্রন্থাগারের ভারপ্রাপ্ত গ্রন্থাগারিক অধ্যাপক মো. নাসিরউদ্দিন মুন্সী জানান, আজ থেকে গ্রন্থাগার খুললেও সেখানে শুধু একাডেমিক পড়াশোনা করতে পারবেন স্নাতক চতুর্থ বর্ষ ও স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থীরা। বাইরে থেকে চাকরির বইপত্র, খাবার ইত্যাদি গ্রন্থাগারে নেওয়া যাবে না।

অধ্যাপক মো. নাসিরউদ্দিন মুন্সী আরও বলেন, গ্রন্থাগার ব্যবহারে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আট দফা নির্দেশনা দিয়েছে। এগুলো হলো বাধ্যতামূলকভাবে নিয়মিত ও সার্বক্ষণিক মাস্ক সঠিক নিয়মে নাক-মুখ ঢেকে পরা, স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী কমপক্ষে ১ মিটার (৩ ফুট) শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা, ব্যবহারকারীদের বইয়ের তাকগুলোর কাছে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না, গ্রন্থাগারকর্মীরা তাঁদের প্রয়োজনীয় অনুসন্ধানে সহায়তা করবেন, পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত ইস্যু করা পাঠ্য উপকরণগুলোর নির্ধারিত সময় বর্ধিত করা হবে (শুধু শিক্ষকদের জন্য), গ্রন্থাগারে দলগত আলোচনা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ, গ্রন্থাগারের ফটোকপি বা প্রিন্টার মেশিনগুলো আপাতত ব্যবহার করা যাবে না, গ্রন্থাগারের ভেতরে ও বাইরে শারীরিক দূরত্বের শর্ত মেনে চলতে হবে, গ্রন্থাগারে প্রবেশ ও বহির্গমনের জন্য আলাদা ফটক ব্যবহার করতে হবে এবং স্বাস্থ্যসুরক্ষার নিয়ম অনুযায়ী ব্যবহৃত মাস্ক, ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম ডাস্টবিনে ফেলতে হবে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন