বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে একমাত্র চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ট্রেন যাতায়াত করে। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২৭ হাজার ৫৫০। খোলার দিনে দুটি শাটল ট্রেনে চড়ে ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থীই নগর থেকে ২২ কিলোমিটার দূরের ক্যাম্পাসে আসা-যাওয়া করেন। ট্রেনে এক ঘণ্টার পথ এটি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর রবিউল হাসান ভূঁইয়া প্রথম আলোকে বলেন, পরীক্ষার্থীরা সকাল থেকেই ক্যাম্পাসে আসা শুরু করেন। তাঁদের পদচারণায় আবার মুখর হয়ে উঠেছে ক্যাম্পাস। চলেছে শাটল। কাল শনিবার ‘খ’ ইউনিটের পরীক্ষা। কালও শাটলে চড়ে ভর্তি-ইচ্ছুকেরা ক্যাম্পাসে আসবেন।

জমে উঠেছে ক্যাম্পাস

ভর্তি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে আবার জমে উঠেছে ক্যাম্পাস। কাটা পাহাড় থেকে কলার ঝুপড়ি, কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ থেকে সমাজবিজ্ঞান অনুষদ—সবখানেই পরীক্ষার্থী আর অভিভাবকের পদচারণা। তাঁদের আগমনে ঝুপড়ির দোকানগুলোতেও প্রাণ ফিরে এসেছে। বিক্রিবাট্টা বেড়েছে। সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ঝুপড়িতে ছোট্ট একটি দোকান চালান রতন কুমার রুদ্র। করোনার কারণে ক্যাম্পাস বন্ধ থাকায় বেচাকেনা একদমই হয়নি। আজ ভর্তি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই তাঁর কয়েক হাজার টাকা বিক্রি হয়। রতন কুমার রুদ্র প্রথম আলোকে বলেন, করোনার কারণে দোকান বন্ধ ছিল। অনেক কষ্ট করে দিন যাপন করেছি। ভর্তি পরীক্ষার জন্য ভালো বিক্রি হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢাবির পরীক্ষা সময়সূচি

শনিবার ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা হবে। এরপর আগামী ৯ অক্টোবর হবে ‘চ’ ইউনিটের পরীক্ষা। এতে আসন রয়েছে ১৩৫টি। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা দেবেন ৯৪৩ জন। ২২ অক্টোবর ‘গ’ ইউনিটের পরীক্ষায় আসন আছে ১ হাজার ২৫০টি। পরীক্ষায় অংশ নেবেন ৩ হাজার ৫৫৯ জন। আর ২৩ অক্টোবর হবে ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষা। এতে আসনসংখ্যা ১ হাজার ৫৭০, পরীক্ষার্থী ৯ হাজার ৮৯৮।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন