বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০-দলীয় জোটের অনির্দিষ্টকালের অবরোধ কর্মসূচির মধ্যে চলা হরতালে দেশের বিভিন্ন স্থানে ধরপাকড় চলছেই। গত রোববার রাত থেকে গতকাল সোমবার পর্যন্ত নয়টি জেলা থেকে ১৩১ জনকে আটক করে পুলিশ ও যৌথ বাহিনী। আটক ব্যক্তিদের অধিকাংশকে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বাগেরহাটে গত ২৪ ঘণ্টায় জামায়াতে ইসলামীর নেতাসহ ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ ২১ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সুনামগঞ্জ জেলার বিভিন্ন স্থানে রোববার রাতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর আট কর্মী-সমর্থককে আটক করেছে। এর মধ্যে বিএনপির সাতজন এবং জামায়াতে ইসলামীর একজন।
সাতক্ষীরায় নাশকতার আশঙ্কায় জামায়াত-বিএনপির ছয়জন কর্মীসহ ৩৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ পৌর বিএনপির ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক মনজিল মিয়াকে (৩৮) রোববার রাতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনের সড়ক থেকে আটক করে পুলিশ।
মোহনগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আরিফুর রহমান জানান, নাশকতার পরিকল্পনায় জড়িত থাকার অভিযোগে রোববার রাত দুইটার দিকে তাঁকে আটক করা হয়।
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি-জামায়াতের ২৩ নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে।
মানিকগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা থেকে রোববার রাতে বিএনপির আট কর্মীকে আটক করে পুলিশ।
কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি এবং বারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এ আর মাহববুর রহমানকে আটক করে পুলিশ।
গাইবান্ধায় বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের ১৮ জন নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথ বাহিনী। এর মধ্যে ৬ ফেব্রুয়ারি তুলসীঘাটে পেট্রলবোমা মেরে আটজনকে হত্যা মামলার আসামিও রয়েছে।
সিরাজগঞ্জে বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের পাঁচ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
(প্রথম আলোর প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি।)

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন