default-image

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় বেশ কিছু বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরামর্শ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, সরকারের সব সংস্থা এ বিষয়ে ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নেবে। তবে মন্ত্রী স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে কঠোর হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটউশনে অ্যাসোসিয়েশন অব গ্রাসরুটস ওমেন এন্ট্রাপ্রেনিউরস বাংলাদেশ আয়োজিত নার্সদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে এ অনুষ্ঠান হয়।

করোনায় দেশে সংক্রমণ ও মৃত্যু বেড়ে যাওয়ায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ১২টি পরামর্শ দিয়েছে। এসব বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জাহিদ মালেক বলেন, ‘আমরা চাই দেশের অর্থনীতি ভালো থাকুক। করোনা যাতে বৃদ্ধি না পায়, তা–ও চাই। এ জন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে সবাইকে কাজ করতে হবে। টিকা নেবেন। লকডাউন আমরা করতে পারব না। এটা সরকারের সব সংস্থা মিলে সিদ্ধান্ত নেবে। আগামীতে দেখব কী সিদ্ধান্ত হয়। আমরা আমাদের কর্মকাণ্ড জোরদার করছি।’

বিজ্ঞাপন

বেড়ানোসহ বিভিন্ন সামাজিক কাজে জনসমাগম বেড়ে যাওয়ার প্রসঙ্গ তুলে মন্ত্রী বলেন, ‘গত ১৫ দিনে অন্তত ২০ লাখ লোক কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙামাটিতে ঘুরেছে। কেউ মাস্ক পরেনি। মাস্ক ছাড়া বিয়ে–শাদিতে ঘুরে বেড়াচ্ছে। স্বাস্থ্যবিধি মানলে লকডাউনের প্রয়োজন হবে না। আমরা পরামর্শ দিয়েছি, এখন সরকার ভেবেচিন্তে পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, মৃত্যুহার বেড়ে গেছে, সংক্রমণ বেড়েছে। করোনা এখনো নিয়ন্ত্রণে আছে। দেশের মানুষ এখনো ভালো অছে। কিন্তু যদি নিয়ন্ত্রণে না থাকে, তাহলে কেউই ভালো থাকবে না। করোনা এখনো দেশ থেকে যায়নি। তিনি সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য বলেন। বেড়ানো প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এখনো বেড়ানোর সময় হয়নি। আরেকটু ধৈর্য ধরুন। বেঁচে থাকলে সবাই বেড়াতে পারবেন।

default-image

অনুষ্ঠানে সম্মাননাপ্রাপ্ত সেবিকারা হলেন, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাজনীন খানম ও রেহেনা পারভীন, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের রুনু বেরনিকা কস্তা ও তেরেজা বাড়ৈ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কামরুন নাহার ও মীনাক্ষী রানী দাস, নেত্রকোনার খালিয়াজুরী উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্সের আফরোজা সুলতানা, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের মিতালী রানী কর্মকার, শ্যামলীর বক্ষব্যাধি হাসপাতালের জবেদা ভূঁইয়া, ঢাকার দোহার উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্সের দোলা আক্তার।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. আলী নূর, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. আবদুল মান্নান। বক্তব্য দেন নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সিদ্দিকা আক্তার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এজিডব্লিউইবির সভাপতি মৌসুমী ইসলাম।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন