বরিশালের কীর্তনখোলা নদীতে নিখোঁজ হওয়ার চার দিন পর ভোলার যুবলীগ নেতা ফয়েজ মাহমুদের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার সকালে দক্ষিণ রূপাতলীসংলগ্ন কীর্তনখোলা নদীতে লাশটি ভেসে ওঠার পর নৌ–পুলিশ সদস্যরা লাশটি উদ্ধার করেন। ফয়েজ মাহমুদ ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ওসমানগঞ্জ ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ছিলেন। তিনি উত্তর চরফ্যাশনের মৃত সুলতান আহমেদের ছেলে।

বিজ্ঞাপন

১২ আগস্ট বুধবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে বরিশাল থেকে ইঞ্জিনচালিত নৌকায় ভোলায় যাওয়ার পথে কীর্তনখোলা নদীর চরকাউয়া খেয়াঘাটসংলগ্ন নদীতে ছিটকে পড়ে নিখোঁজ হন ফয়েজ মাহমুদ।

ফয়েজ মাহমুদের স্বজন জহুরুল হক জানান, ফয়েজ মাহমুদ ১১ আগস্ট ভোলা থেকে বরিশালে আসেন। রাতে বরিশালে তাঁর ভাইয়ের বাসায় অবস্থান করেন। ১২ আগস্ট সকালে কাজ শেষে সড়কপথে ভোলা যাওয়ার জন্য লাহারহাটের উদ্দেশে রওনা হন। এ সময় বরিশালের কীর্তনখোলা নদীর খেয়া পার হওয়ার সময় খেয়াটি চরকাউয়া খেয়াঘাটে পৌঁছানোর আগে চলন্ত ট্রলার থেকে ছিটকে তিনি নদীতে পড়ে যান।

প্রত্যক্ষদর্শী এক খেয়ার মাঝি জানান, খেয়াটি বরিশাল থেকে চরকাউয়া প্রান্তে পৌঁছার পর ঘাটে লাগানোর জন্য ঘোরানোর সময় ভারসাম্য রাখতে না পেরে ছিটকে নদীতে পড়ে যান ফয়েজ।

নিখোঁজ হওয়ার পর নৌ–পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা নদীতে অভিযান চালালেও তাঁর সন্ধান পাননি। নৌ–পুলিশ সূত্র জানায়, রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দক্ষিণ রূপাতলী এলাকাসংলগ্ন নদীতে জেলেরা একটি লাশ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। সকাল ১০টার দিকে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে। পরে ফয়েজ মাহমুদের স্বজনেরা মৃতদেহটি শনাক্ত করেন।

বরিশাল সদর নৌ-থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন প্রথম আলোকে বলেন, সকাল ১০টার দিকে নদীতে ভাসমান অবস্থায় ফয়েজ মাহমুদের লাশটি উদ্ধার করে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এখন আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন