default-image

ভারত থেকে নেমে আসা বরাক নদ বাংলাদেশে এসে রূপ নিয়েছে সুরমা ও কুশিয়ারায়। আর বয়ে গেছে সিলেটের সীমান্তবর্তী উপজেলা জকিগঞ্জের বুকের ওপর দিয়ে। নদীকে কেন্দ্র করে এ জনপদের বেশ কিছু মানুষ নির্বাহ করেন তাঁদের জীবিকা। পরিবারের মুখে দুমুঠো অন্ন বিলিয়ে দিতে নদীর কাঁধে ভর করে চলে তাঁদের নীরব সংগ্রাম।

কিন্তু এই নদী কখনো রাক্ষুসী রূপ নেয়, ছিনিয়ে নেয় নদীর পারে বসবাসকারী মানুষের সবকিছু। তলিয়ে যায় গাছপালা, বাড়িঘর আর বিঘা বিঘা জমি।

জকিগঞ্জের সমস্যার তালিকায় সর্বাগ্রে নদীভাঙনের অবস্থান। প্রতিবছরই বর্ষাকালে বিপাকে পড়েন নদীর পারের মানুষেরা। সর্বস্ব হারিয়ে পথে বসার উপক্রম হয় অনেকের। এ চিত্র যেন নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।

উপজেলার নালুহাটি, ছবড়িয়া, রারাই, শষ্যকুড়ি, ছয়লেন পালপাড়া, কেছরী, সোনাপুর, বড়পাথর, মাঝরগ্রাম, বড়ছালিয়া, উজিরপুর, মৌলভীরচকসহ বেশ কিছু এলাকা নদীভাঙনের কবলে। একাধিক জায়গায় বেড়িবাঁধ ভেঙে সরকারি বিদ্যালয়, বসতবাড়ি, ফসলি জমি, মসজিদ, কবরস্থান নদীর তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

স্থানীয় ব্যক্তিদের অভিযোগ, জনপ্রতিনিধিদের আশ্বাসেই তাঁদের দিন কাটে। নামমাত্র কাজ হলেও এসব এলাকা থেকে যায় ধোঁয়াশায়।

সবার প্রত্যাশা, কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে বিপাকে পড়া এসব মানুষের দুর্দশা লাঘব হবে আর নদীর পারের মানুষ পাবে স্বাভাবিক জীবন।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0