default-image

এক.
খবর এসেছে, ঢাকার বংশী নদীকে ছাইচাপা দিয়ে মারার চেষ্টা চলছে। এর আগে খবর ছিল, ঢাকার সাভারের ফুলবাড়িয়া থেকে নামাবাজার হয়ে নয়ারহাট পর্যন্ত বংশী নদী দখল আর ভরাটে জেরবার। নদীর তীরে গড়ে উঠেছে কয়েক হাজার অবৈধ স্থাপনা। জেলা প্রশাসন উচ্ছেদ নথি তৈরি করেছে, কিন্তু হাকিম-হুকুম কেউই নড়ছে না। বংশীর ধামরাই অংশে কেলিয়া মোড়ের (হীরারবাগ) কাছে প্রতিদিন টন টন ছাই ফেলছে নদীর পাড় ঘেঁষে গজিয়ে ওঠা চালকলগুলো।

ধামরাইয়ের আইংগন ছেড়ে কালামপুরের দিকে গেলে কেলিয়ার মোড় (যেখানে বংশী নদী বাঁক নিয়েছে সোম্ভাগের দিকে) সেখানে নদীকে প্রায় গলা টিপে মেরে ফেলার অবস্থা। আবার ধামরাইয়ের শরিফবাগ ব্রিজের নিচে একই চিত্র ক্রমশ বিকশিত হচ্ছে। স্থানীয় নদীপাগল মানুষেরা ছবি তুলে পাঠিয়েছেন কর্তৃপক্ষকে জানানোর জন্য।

দুই.
সিলেট নগরের বুকে প্রবহমান সুরমা নদীর মেন্দিবাগ এলাকার মাছিমপুর ঘাট, কালীঘাট, ঝালোপাড়া, কদমতলী, চাঁদনীঘাট, তোপখানাঘাট, কাজীরবাজার, শেখঘাট ও কানিশাইল ঘাট ময়লা-আবর্জনায় সয়লাব হচ্ছে দিন দিন। কোথাও ব্যবসায়ীরা পচা ফল, সবজি, মাছ ও উচ্ছিষ্ট-পরিত্যক্ত ময়লা-আবর্জনা নদীতে বা নদীর পাশেই ফেলছেন। কোথাও–বা শৌচাগার তৈরি করে সেটি নদীর সঙ্গে যুক্ত করে রেখেছেন। ফলে মানববর্জ্য নদীতে গিয়ে মিশছে। কিশোরগঞ্জের নরসুন্দাকে কোটি কোটি টাকা খরচ করে রূপসী করার চেষ্টা করার পরও আবার ভাগাড়ে পরিণত হচ্ছে।

তিন.
নদী কারও কাছে মাছের আধার, নদীর কাছে কেউ চায় নাব্য নৌপথ, সস্তা চলাচল, কেউ নদীকে দেখে বালুর খনি হিসেবে। কেউ ভাবে, এত পানি সাগরে ফেলে দিয়ে লাভ কী? সেচে লাগাই, কারখানায় লাগাই, কোটি কোটি মানুষের শৌচ আর পানে লাগাই। কী ক্ষতি পানি উঠিয়ে নিলে? নদী রেখে লাভ কী যদি আমার সেচ, শৌচ, পান, পিয়াস না মেটায়? কিছু না হলে ডাস্টবিন বা ভাগাড় হলে ক্ষতি কী?

হালদা থেকে প্রতিদিন চট্টগ্রাম নগরের পানির চাহিদা মেটাতে আর সেচের জন্য এখনই প্রতিদিন প্রায় ৪২ কোটি লিটার পানি প্রত্যাহার করা হয়। মন্ত্রীর কথিত প্রস্তাবিত নতুন প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে প্রতিদিন পানি প্রত্যাহারের পরিমাণ হবে ৫৬ কোটি লিটার। দৈনিক এই পরিমাণ পানি উত্তোলন করলে শুষ্ক মৌসুমে হালদা নদীর এক-তৃতীয়াংশ পানি শুকিয়ে যাবে। এর ফলে হালদা তার মৌলিকতা হারাবে। নষ্ট হবে মাছের এক অনন্য প্রজননক্ষেত্র।

তারপরও আশার কথা, নদীগুলোকে রক্ষা করার মানুষের অভাব নেই। সম্প্রতি সে রকম কিছু মানুষের নিরন্তর চেষ্টায় গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে হালদার গতিপথকে ‘বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ’ ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশের প্রধান স্থপতিকে ভালোবেসে না নদী রক্ষায় নিরুপায় মন্ত্রণালয় এ রকম পদক্ষেপ নিয়েছে, সেটা নিয়ে নিন্দুকেরা যত খুশি বিতর্ক করতে পারেন। তবে সারকথা, এত কিছুর পরও হালদা নিয়ে টানাহেঁচড়া বন্ধ হয়নি।

বিজ্ঞাপন

গেজেটের কালির দাগ শুকানোর আগেই ২ জানুয়ারি শনিবার স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছেন, হালদা নদীর পানি যদি মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্য নেওয়া হয়, তাহলে হালদার কোনো ক্ষতি হবে না। মন্ত্রী চট্টগ্রাম গিয়েছিলেন চীন থেকে দান হিসেবে পাওয়া রাস্তার বাতি সেখানকার নগরকর্তাদের কাছে তুলে দিতে। এ সময় তিনি আরও বলেন, পানি তুললে মাছের প্রজননক্ষেত্রের কোনো সমস্যা হবে না। তিনি তাঁর পানি আমলাদের দেওয়া হিসাবের রেফারেন্স দিয়ে বলেছেন, হালদা নদীতে প্রতি সেকেন্ডে ৩৭০ কিউসেক পানি প্রবাহিত হয়। সেখান থেকে মাত্র ৩.৭ কিউসেক পানি নিলে পানিপ্রবাহের কোনো সমস্যা হবে না।

মন্ত্রী আরও বলেছেন, হালদা নদীতে মাছের প্রজনন হয় এপ্রিল-মে-জুন এই তিন মাস। সে সময় অতিরিক্ত পানি প্রবাহিত হয়। শুকনা মৌসুমে পানি কম থাকে। সেই সময় পানি নিলেও ক্ষতি নেই, কারণ তখন মাছের প্রজনন হয় না। হালদা যেন মাছেদের শুধুই ম্যাটারনিটি সেন্টার, ডিম ছাড়ার সময় একটু পানি দিলেই হবে।

অনেক অত্যাচার, অবহেলা, ভুল সিদ্ধান্তের শিকার হওয়ার পরও হালদা আমাদের একমাত্র নদী, যেখানে রুইজাতীয় মাছের জিনগত মজুত সম্পূর্ণ অবিকৃত রয়েছে। পৃথিবী আর কোথাও হালদার আরেকটি জুড়ি মেলা ভার, যেখানে জোয়ার-ভাটার নিত্য আসা-যাওয়া আছে, কিন্তু কার্পজাতীয় মাছ ডিম ছাড়ে আর নিষিক্ত ডিম সংগ্রহ করা হয়। এসব কারণেই হালদা শুধু আমাদের প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ঐতিহ্য নয়, বরং বলা যায় এটি তাবৎ পৃথিবীর এক অনন্য ঐতিহ্য।

মাছ ডিম ছাড়ার অনেক আগে থেকে হালদায় ঘোরাফেরা করে। দেশের বিশিষ্ট পানি বিশেষজ্ঞ ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আইনুন নিশাত বললেন, বর্ষার অনেক আগে থেকে মা মাছেরা হালদায় আসে। পরিবেশ অনুকূল না থাকলে বর্ষায় পানির ফোয়ারা ছোটালেও মাছের ডিমের সন্ধান মিলবে না।

চৈত্র–বৈশাখের প্রথম বর্ষণের পর হালদার সংযুক্ত বিলগুলো প্লাবিত হলে নদীর পানিতে প্রচুর জৈব উপাদান মিশে যায়। ফলে নদী পর্যাপ্ত খাদ্যের আধার হয়ে ওঠে। প্রজনন-পূর্ব পরিবেশের পরিপক্বতা আসে এভাবে। অন্যদিকে হালদার সঙ্গে অনেকগুলো পাহাড়ি ঝরনার যোগ থাকায় মাটিধোয়া পানিতে প্রচুর ম্যাক্রো ও মাইক্রো পুষ্টি উপাদান থাকে। ফলে প্রাক-বর্ষা বর্ষণে নদীতে পর্যাপ্ত খাদ্যাণুর সৃষ্টি হয়।

চার.
হালদা নদীতে মাছের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টিতে এই সাংবাৎসরিক প্রক্রিয়াকে আলাদা করে দেখার কোনো সুযোগ নেই। হালদা নদীর বাঁকগুলোকে অক্সবো বাঁক বলে। এদের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এখানে পানির প্রচণ্ড ঘূর্ণন সৃষ্টি হয়, যার ফলে গভীর স্থানের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়ভাবে গভীর স্থানগুলোকে কুম বা কুয়া বলা হয়। উজান হতে আসা বিভিন্ন পুষ্টি ও অন্যান্য পদার্থ কুমের মধ্যে এসে জমা হয়। ফলে পানি অতি ঘোলা হয়। মা মাছেরা কুমের মধ্যে আশ্রয় নেয় এবং ডিম ছাড়ে। নানা পাহাড়ি ঝরনা বা ছড়ার মিলন, সেগুলোর উজানে এক বা একাধিক বিলের অবস্থান, নদীর গভীরতা, কম তাপমাত্রা, তীব্র খরস্রোত, অতি ঘোলা পানি—এর কোনোটাকেই বাধাগ্রস্ত করা যাবে না। অন্যথায় মাছেরা বর্ষাকালে ডিম ছাড়তে উদ্বুদ্ধ হবে না।

default-image

তাই সব দিক বিবেচনা করেই গেজেটে এই মর্মে পরিষ্কার নির্দেশনা দেওয়া আছে, বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ তদারকি কমিটির অনুমতি ছাড়া হালদা নদীতে নতুন পানি শোধনাগার, সেচ প্রকল্প স্থাপনের মাধ্যমে পানি উত্তোলন করা যাবে না। মাছের প্রাক্‌-প্রজনন পরিভ্রমণ সচল রাখার স্বার্থে হালদা নদী ও সংযোগ খালের পানির প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না। রুইজাতীয় মাছের প্রাক্‌-প্রজনন এবং প্রজনন মৌসুমে (মার্চ-জুলাই) ইঞ্জিনচালিত নৌকা চলাচল করতে পারবে না।

পাঁচ.
আমরা জানি, হালদা খাগড়াছড়ির বাটনাতলী পাহাড় থেকে যাত্রা শুরু করে ফটিকছড়ির মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম জেলায় এসেছে। এরপর এটি দক্ষিণ-পশ্চিমে ও পরে দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে ফটিকছড়ির বিবিরহাট, নাজিরহাট, সাত্তারঘাট ও অন্যান্য অংশ, হাটহাজারী, রাউজান এবং চট্টগ্রাম শহরের চান্দগাঁও-বাকলিয়ার মধ্য দিয়ে কালুরঘাটের কাছে এসে কর্ণফুলী নদীতে মিশেছে। খাগড়াছড়ি থেকে প্রায় ৮৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হয়েছে হালদাকে। একসময় ৮৫ কিলোমিটারের সবটাই সারা বছর সব ধরনের নৌকা চলাচলের উপযুক্ত ছিল। এখন সাকল্যে ২৯ কিলোমিটার অংশ সারা বছর বড় নৌকা চলাচলের উপযোগী থাকে।

অনেক অত্যাচার, অবহেলা, ভুল সিদ্ধান্তের শিকার হওয়ার পরও হালদা আমাদের একমাত্র নদী, যেখানে রুইজাতীয় মাছের জিনগত মজুত সম্পূর্ণ অবিকৃত রয়েছে। পৃথিবী আর কোথাও হালদার আরেকটি জুড়ি মেলা ভার, যেখানে জোয়ার-ভাটার নিত্য আসা-যাওয়া আছে, কিন্তু কার্পজাতীয় মাছ ডিম ছাড়ে আর নিষিক্ত ডিম সংগ্রহ করা হয়। এসব কারণেই হালদা শুধু আমাদের প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ঐতিহ্য নয়, বরং বলা যায় এটি তাবৎ পৃথিবীর এক অনন্য ঐতিহ্য। লুটেপুটে খাওয়ার দিকে কম মনোযোগ দিলে এত দিনে ইউনেসকো হয়তো দ্বিধা কাটিয়ে এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্য ঘোষণা করতে এগিয়ে আসত।

হালদা থেকে প্রতিদিন চট্টগ্রাম নগরের পানির চাহিদা মেটাতে আর সেচের জন্য এখনই প্রতিদিন প্রায় ৪২ কোটি লিটার পানি প্রত্যাহার করা হয়। মন্ত্রীর কথিত প্রস্তাবিত নতুন প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে প্রতিদিন পানি প্রত্যাহারের পরিমাণ হবে ৫৬ কোটি লিটার। দৈনিক এই পরিমাণ পানি উত্তোলন করলে শুষ্ক মৌসুমে হালদা নদীর এক-তৃতীয়াংশ পানি শুকিয়ে যাবে। এর ফলে হালদা তার মৌলিকতা হারাবে। নষ্ট হবে মাছের এক অনন্য প্রজননক্ষেত্র।

ফয়’স লেকের আদলে জলাধার তৈরি করে সহজেই পানির চাহিদা মেটানো যেতে পারে। প্রকৃতিগতভাবে মিরসরাইয়ের কাছাকাছি সে রকমের স্থাপনা তৈরির সুযোগ আছে
অধ্যাপক আইনুন নিশাত

মিরসরাইয়ের শিল্পাঞ্চলে পানির প্রয়োজন দিনকে দিন বাড়বে। তাদেরই করা এক সমীক্ষা বলছে, ২০৪০ সাল নাগাদ এই শিল্পনগরে দৈনিক সাড়ে ৯৬ কোটি লিটার পানির প্রয়োজন হতে পারে। তাই বলে সেই চাহিদা মেটাতে ৬০ কিলোমিটার দূর থেকে হালদাকে ফকির করে পানি আনতে হবে? এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে হালদা নদী বিশেষজ্ঞ মনজুরুল কিবরিয়া বলেন, মিরসরাইয়ের শিল্পনগরের পাশেই ফেনী নদী, মুহুরি প্রজেক্টসহ আরও অনেক পানির উৎস আছে। সেগুলো থেকে পানি উত্তোলন করলে প্রকল্প বাস্তবায়নের খরচ অনেক কম পড়বে। কাছের উৎস বাদ দিয়ে, ৬০ কিলোমিটার দূর থেকে মিরসরাইয়ে পানি নিতে হবে কেন? এতে অনেক বেশি টাকা খরচ হবে। আর হালদা হবে অসুস্থ। তাঁর মতে, এরপরও যদি পানি নিতেই হয়, তবে হালদা নয় কর্ণফুলী নদী থেকে পানি নেওয়া যায়।

বিজ্ঞাপন

অধ্যাপক আইনুন নিশাত মনে করেন, ফয়’স লেকের আদলে জলাধার তৈরি করে সহজেই পানির চাহিদা মেটানো যেতে পারে। প্রকৃতিগতভাবে মিরসরাইয়ের কাছাকাছি সে রকমের স্থাপনা তৈরির সুযোগ আছে।

মনে রাখা দরকার, চট্টগ্রাম ওয়াসার কর্মকর্তারা হালদা থেকে শিল্পাঞ্চলের জন্য আরও পানি প্রত্যাহারের পরিকল্পনাকে ন্যায্যতা দেওয়ার জন্য কাগজপত্র তৈরির কাজ করে যাচ্ছেন। সেই অভিলাষে তাঁরা পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিংকে (আইডব্লিউএম) তাঁদের স্বপ্নের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কন্ট্রাক্ট দিয়েছিলেন। আইডব্লিউএম ইতিমধ্যেই তাদের মক্কেলের আরজিমতো একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

ছয়.
ভুলে গেলে চলবে না, কয়েক বছর ধরেই হালদায় লবণাক্ত পানি প্রবেশ করছে। সে পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য শুকনা মৌসুমে কাপ্তাই বাঁধের দু-তিনটি গেট জোয়ারের সময় ছেড়ে রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন অনেকে। প্রস্তাব অনুযায়ী চেষ্টাও হয়েছে। তার ফলাফল কী, স্বচ্ছতার সঙ্গে সেটি তথ্য–উপাত্তসহ সবাইকে অবহিত করা প্রয়োজন। শুকনা মৌসুমে কাপ্তাই তার নিজের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য জল সংরক্ষণ করবে, না উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনার বলি হবে, সেটা জানার অধিকার জনগণের থাক বা না থাক, নদী ও জলাধারগুলোর আছে। নদী এখন জীবন্ত সত্তা হিসেবে স্বীকৃত। নদীসংক্রান্ত সব সিদ্ধান্তে তার মতামত নেওয়াটা জরুরি। সাগরের দেখা পাওয়া নদীর জন্মগত অধিকার। সেই অধিকার থেকে তাকে বঞ্চিত করার চেষ্টা মানে হত্যাযজ্ঞের শরিক হওয়া। হত্যাকে উসকানি দেওয়া কি ঠিক হচ্ছে?

তোমার কি মনে পড়ে সেই নদী যে-নদীর ঘাটে
হাজার বৎসর ধরে আমাদের একান্ত স্বজন বহুজন
ক্লান্ত মুখ ধুয়েছে এবং
বিশ্রামের সব সুখ নদীর জলের মতো গায়ে মেখে
ঘুমিয়েছে? [সেই নদী, আহসান হাবীব]
নদীদের নদীর মতো বাঁচতে দিন।

লেখক: গবেষক
nayeem5508@gmail.com

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন