বিজ্ঞাপন

তানজিদা আক্তার সদর উপজেলার বক্তাবলী ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের মৃত আলী আশরাফের মেয়ে। হীরা চৌধুরী ফতুল্লার পূর্ব লামাপাড়া এলাকার ওমর চৌধুরীর ছেলে। তাঁদের সংসারে তুষার (১০) ও তোয়াফ (৬) নামের দুই শিশুসন্তান রয়েছে।

এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাকির মাসুদ বলেন, সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে হীরা চৌধুরী তাঁর স্ত্রী তানজিদা আক্তারকে ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে পাশের রুমে আত্মগোপন করেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তানজিদার হাত বাঁধা রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। পরে পাশের রুমে আত্মগোপনে থাকা অভিযুক্ত স্বামী হীরাকে আটক করা হয় এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা ছুরি উদ্ধার করা হয়। তানজিদা আক্তারের হাত বেঁধে গলায় ও ঘাড়ের পেছনে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্বজনেরা জানান, ১৩ বছর আগে তানজিদা ও হীরার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে যৌতুকের দাবিতে নানা অজুহাতে তাঁকে নির্যাতন করতেন শ্বশুড়বাড়ির লোকজন। যৌতুকের চাহিদা পূরণ করতে জমিও বিক্রি করতে হয়েছে তানজিদার পরিবারকে। আজ সকাল আটটার দিকে তানজিদার পরিবারকে ফোন করে জানানো হয়, তানজিদা নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে রয়েছে। হাসপাতালে গিয়ে তাঁরা জানতে পারেন তাঁকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক সার্কেল) মেহেদী ইমরান সিদ্দিকী প্রথম আলোকে জানান, ৯৯৯–এ ফোন পেয়ে পুলিশ গিয়ে তানজিদার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। তিনি আরও বলেন, তানজিদার স্বামী কোনো কাজ করেন না, তিনি মাদকাসক্ত। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন