বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মালয়েশিয়ার এই মন্ত্রী বলেন, নারীদের সম্ভাবনা আছে। তাঁরা নেতৃত্ব দিতে পারেন। নারীদের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আসতে হবে। মূলধারায় এসে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা অর্জন করতে হবে।

মালয়েশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ৬০ শতাংশ নারী উল্লেখ করে দাতুক বলেন, শিক্ষায় নারীর অংশগ্রহণ বাড়লেও কর্মক্ষেত্রে তাঁদের সে পরিমাণ উপস্থিতি দেখা যায় না। এই অবস্থা পাল্টাতে হবে। তিনি আরও বলেন, মালয়েশিয়ার সম্পদ অনেক থাকলেও তাতে নারী ও পুরুষের অধিকার সমান নয়।

নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে মালয়েশিয়ার মন্ত্রী বলেন, নারীরা কোনো বৈঠকে এলে সেখানে চা বা কফি বানানো তাঁদের কাজ নয়। তাঁরা বৈঠকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেবেন এবং নিজের মতামত দেবেন, কথা বলবেন। তাঁদের গতানুগতিক ধারণা থেকে বের করে আনতে হবে।

এশিয়া প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে দাতুক বলেন, পড়াশোনা করে কর্মক্ষেত্রে আসতে হবে। এ ছাড়া তিনি ছেলেদের জেন্ডার সহনশীল হওয়ার পাশাপাশি নিরাপদ কর্মপরিবেশ তৈরিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। একটি দেশ যত এগোয়, সে তত জেন্ডার সহনশীল হয়। করোনায় লিঙ্গসমতা কিছুটা ভিন্ন হলেও নারীর ক্ষমতায়নে বিরূপ প্রভাব পড়েনি বলে উল্লেখ করেন এই মন্ত্রী।

সভায় অংশ নিয়ে শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন মুক্তিযুদ্ধে মালয়েশিয়ার ভূমিকার কথা স্মরণ করেন। এ ছাড়া বিনিয়োগ ও বাণিজ্যে মালয়েশিয়া আরও এগিয়ে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

নুরুল মজিদ বলেন, বাংলাদেশে সব পর্যায়ে নারীদের অংশগ্রহণ রয়েছে। নারীর ক্ষমতায়নে এবং লিঙ্গবৈষম্য কমাতে সরকারের নানান পদক্ষেপ রয়েছে।

সভায় আরও বক্তব্য দেন ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান এম আলাউদ্দিন, সদস্য কে এম মজিবুল হক, ট্রাস্টি বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান কাইয়ূম রেজা চৌধুরী, উপাচার্য কামরুল আহসানসহ প্রমুখ।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন