বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ঢাকা-৭ আসনের সাংসদ হাজী মো. সেলিমের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ১৫ থেকে ৪৯ বছর বয়সী নারীদের কম ওজনের ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনের পাশাপাশি অতি ওজনের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩২ শতাংশ। বিডিএইচএসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৫ থেকে ৪৯ বছর বয়সী নারীদের অপুষ্টিজনিত কম ওজন ২০০৭ সালে ছিল ৩০ শতাংশ, ২০১৭-১৮ সালে এসে সেটা দাঁড়িয়েছে ১২ শতাংশে। অন্যদিকে, অতি ওজন ২০০৭ সালে ছিল ১২ শতাংশ, ২০১৭-১৮ সালে সেটা বেড়ে হয়েছে ৩২ শতাংশ।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, পুষ্টিহীনতা বিষয়ে সার্বজনীন (সব বয়সের) মানুষের নির্দিষ্ট কোনো পরিসংখ্যান নেই। মন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, খর্বাকৃতির হার টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি, ২০৩০) অনুযায়ী ১২ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনার কথা থাকলেও ২০১৭-১৮ সালে তা ৩১ শতাংশ; ২০০৭ সালে যা ছিল ৪৩ শতাংশ। কৃশকায় ৫ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনার কথা থাকলেও তা রয়েছে ৮ শতাংশ; ২০০৭ সালে যা ছিল ১৭ শতাংশ।

তিনি বলেন, কম ওজনের লক্ষ্যমাত্রা ১০ শতাংশের নিচে নামানোর কথা রয়েছে। ২০০১৮-১৯ সালে ছিল ২২ শতাংশ; ২০০৭ সালে যা ছিল ৪১ শতাংশ। অতি ওজন ১ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রায় ২০১৭-১৮ সালে ২ শতাংশ; ২০০৭ সালে যা ছিল ১ দশমিক ১ শতাংশ।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন