বান্দরবান-রুমা সড়কের দলিয়ানপাড়া এলাকায় এক ব্যক্তির গলিত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল সোমবার দুপুরে পাহাড়ি ঝিরি থেকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। লাশ পচে চেহারা অনেকটাই বিকৃত হয়ে গেছে। লাশটি পাহাড়ধসে নিখোঁজ রুমা উপজেলার পোস্টমাস্টার জবিউল হোসেনের বলে শনাক্ত করেছেন তাঁর স্বজনেরা।

লাশ উদ্ধার হওয়া স্থানটি পাহাড়ধসের ঘটনাস্থল থেকে প্রায় আড়াই কিলোমিটার দূরে। এলাকাটি রোয়াংছড়ি থানার অধীনে। বেলা একটার দিকে পাহাড়ি ঝিরিতে গলিত লাশটি দেখতে পেয়ে রোয়াংছড়ি থানার পুলিশকে খবর দেন পাড়ার বাসিন্দারা।

লাশটি উদ্ধার করেন রোয়াংছড়ি থানার উপপরিদর্শক শফিক উল্লাহ। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, খবর পেয়ে রাত আটটার দিকে স্বজনেরা বান্দরবান সদর হাসপাতালে এসে লাশ শনাক্ত করেন।

গত ২৩ জুলাই বান্দরবান-রুমা সড়কের ২৫ কিলোমিটার দূরত্বের দলিয়ানপাড়া এলাকায় পাহাড়ধসে তিন নারীসহ পাঁচজন নিখোঁজ হন। তাঁরা সবাই ছিলেন রুমাগামী একটি বাসের যাত্রী। হেঁটে সড়কের ভাঙা অংশ পার হওয়ার সময় পাহাড়ধসের কবলে পড়েন তাঁরা। ওই দিনই চিংমেহ্লা নামে এক কলেজছাত্রীর লাশ উদ্ধার করা হয়। ২৫ জুলাই মুন্নী বড়ুয়া নামের আরেকজনের লাশ চট্টগ্রামের বাঁশখালীর চাঁনপুরঘাটে শঙ্খ নদে ভাসমান অবস্থায় পাওয়া যায়। ২৮ জুলাই কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা গৌতম নন্দীর লাশ রোয়াংছড়ি উপজেলার বেতছড়া খাল থেকে উদ্ধার করা হয়। এখন উদ্ধার হলো পোস্টমাস্টার জবিউল হোসেনের লাশ। নিখোঁজ রয়েছেন রুমার মংশৈপ্রু কার্বারির (পাড়াপ্রধান) মেয়ে সিংমেচিং মারমা।

নিখোঁজ জবিউল হোসেনের ভগ্নিপতি গোলাম কিবরিয়া বলেন, তাঁরা লাশ উদ্ধারের সংবাদ পেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে রাত সোয়া ৯টায় বান্দরবান সদর হাসপাতালে এসে পৌঁছান। লাশের শারীরিক গঠন ও পরনের কাপড় দেখে লাশ শনাক্ত করেছেন।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0