default-image
গত ২৩ জানুয়ারি ছিল নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মদিন। এ দিন পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ কলকাতায় নেতাজির বাড়িতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির যাওয়া নিয়ে বিতর্ক হয়। ভারতের ক্ষমতাসীন দক্ষিণপন্থী জাতীয়তাবাদী দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) নেতাজিকে তাদের আদর্শের মানুষ বলে প্রচার করছে। এ প্রসঙ্গসহ অন্যান্য বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন অধ্যাপক সুগত বসু। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের অধ্যাপক সুগত বসু নেতাজির বড় ভাই শরৎচন্দ্র বসুর পৌত্র এবং নেতাজি রিসার্চ ব্যুরোর চেয়ারপারসন। তাঁর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন প্রথম আলোর কলকাতা সংবাদদাতা শুভজিৎ বাগচী

প্রথম আলো: সেদিন আপনারা অবস্থান নিয়েছিলেন, নরেন্দ্র মোদি কোনো দলীয় পরিচয়ে নয়, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নেতাজি ভবনে আসবেন। আর বিজেপির নেতারা আসতে পারবেন না, তাঁদের বাইরে থাকতে হবে। এই অবস্থান কি আপনি রাজনীতিবিদ হিসেবে নিয়েছিলেন? আপনি তো তৃণমূল কংগ্রেসের এমপি ছিলেন। নাকি সুভাষচন্দ্র বসুর পরিবারের সদস্য হিসেবে, ইতিহাসের দিকে তাকিয়ে?

সুগত বসু: নেতাজি ভবনের ভেতরে নেতাজি রিসার্চ ব্যুরোতে আমার কোনো রাজনৈতিক দলীয় পরিচয় নেই। তাতে কখনো আমাদের কোনো অসুবিধাও হয়নি। আমার মা কৃষ্ণা বসু যখন রিসার্চ ব্যুরোর চেয়ারপারসন ছিলেন, তখন একই মঞ্চে তিনি আর লক্ষ্মী সায়গল উপস্থিত হয়েছেন, যদিও লক্ষ্মী সায়গল সিপিআই-এম (কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া-মার্ক্সিস্ট) করতেন। দলীয় পরিচয় তাঁরা নেতাজি ভবনের বাইরে রেখে আসতেন। জওহরলাল নেহরু থেকে মনমোহন সিং—সবাই এখানে এসেছেন। বিদেশি প্রধানমন্ত্রীদের মধ্যে জাপানের শিনজো আবে এসেছেন। খুব সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসেছেন। তাঁকে আমরা খুব ভালোভাবে সবকিছু দেখিয়েছি। সাধারণত যখন কোনো প্রধানমন্ত্রীর সফর হয়, তখন অনেক দিন আগে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে যোগাযোগ করা হয়। এবারই প্রথম কয়েক ঘণ্টা আগে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে জানতে পারলাম, যে উনি আসতে চান। শুনলাম, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিশেষ রাজনৈতিক দলের কয়েকজন আসবেন। খুব আপত্তিজনক কতগুলো বার্তা পাঠিয়ে বলা হয়েছিল, কয়েকজন বিজেপি নেতা প্রধানমন্ত্রীকে ‘রিসিভ’ করবেন।

এখানে?

সুগত বসু: হ্যাঁ, নেতাজি ভবনে। প্রাইম মিনিস্টারের অফিস যখন ঠিক বেলা একটার আগে যোগাযোগ করল, আমি পরিষ্কার করে জানালাম যে শুধু রিসার্চ ব্যুরোর চেয়ারপারসন হিসেবে আমি আর ডিরেক্টর সুমন্ত্র বসু প্রধানমন্ত্রীকে নেতাজি ভবনে আমন্ত্রণ জানাবেন। বাইরের লোকের তাঁকে ‘রিসিভ’ করার প্রশ্নই নেই। প্রধানমন্ত্রী শুধু প্রধানমন্ত্রী হিসেবেই আসতে পারেন। এঁদের সাহস দেখে আমি অবাক হয়ে যাচ্ছি। এঁরা কোনো দিনও নেতাজি ভবনেই আসেননি, অথচ ছোটখাটো সেই সব নেতা প্রধানমন্ত্রীকে নাকি ‘রিসিভ’ করবেন…

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এখানে ঘুরে গিয়েছেন?

সুগত বসু: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তো সাংঘাতিক আবেগপূর্ণ সফর হয়েছিল। আমার বাবা ডা. শিশিরকুমার বসু একাত্তরের জানুয়ারিতে অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে গিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে তাঁর দেখা হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে কথা হয়েছিল যে বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালের ২৩ জানুয়ারি হয়তো এখানে আসতে পারেন। সেটা হয়নি। তিনি তাই নীলিমা ইব্রাহিমের হাতে একটি টেপ পাঠিয়েছিলেন। সেই টেপ এই বাড়িতে বাজিয়ে বঙ্গবন্ধুর সেই ভাষণ শোনালাম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। সেটা তাঁকে দিলামও। আরও একটা জিনিস আমরা দিলাম, নেতাজির নিজের হাতের লেখা গানের খাতায় ‘আমার সোনার বাংলা’র প্রতিলিপি। একটি সিল্কের কাপড়ে (স্ক্রল) ওই লেখা আমার বাবা বঙ্গবন্ধুকে দিয়েছিলেন। আমরা আরেকটি স্ক্রল তৈরি করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দিলাম।

আমরা দেখছি, বিজেপি নেতাজিকে তাদের আদর্শের লোক বলে দাবি করছে। অথচ বিজেপির পূর্বসূরি জনসংঘের প্রতিষ্ঠাতা নেতা শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির সঙ্গে নেতাজির বহুত্ববাদী ভারতের ধারণা তা মেলে না। দুজনকে কি এক করে ফেলা সম্ভব?

সুগত বসু: না, সম্ভব নয়। নেতাজি সব সম্প্রদায়ের মানুষকে সমান চোখে দেখতেন এবং সমান অধিকার দিয়েছিলেন। তাই হিন্দু মুসলমান শিখ খ্রিষ্টানের ঐক্য গড়ে স্বাধীনতার লড়াই লড়তে পেরেছিলেন। নেতাজিকে তাই নিজেদের বলে দাবি করাটা বিজেপির পুরোপুরি ভণ্ডামি।

বিজেপি শ্যামাপ্রসাদকে নিয়েই থাকতে পারত। কারণ, তিনি বিশ্বাস করতেন শুধু হিন্দুত্বে, হিন্দু স্বার্থে। যদিও ইতিহাসবিদ হিসেবে মনে করি, তিনি হিন্দু স্বার্থও বিসর্জন দিয়েছিলেন। কারণ, পূর্ববঙ্গের যেসব হিন্দুকে দেশভাগের পরে উদ্বাস্তু হয়ে পশ্চিমবঙ্গে আসতে হয়েছিল, তাদের দুর্দশার জন্য শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি এবং হিন্দু মহাসভা—যারা পাঞ্জাব এবং বাংলার ভাগ দাবি করেছিল, তারা অনেকটাই দায়ী। এটি বাংলার রাজনীতির একটি অত্যন্ত সংকীর্ণ ধারা।

এরই পাশাপাশি বাংলার রাজনীতিতে একটা মস্ত বড় উদার স্রোত ছিল সে সময়ে। তার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন প্রথমে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ, পরে শরৎচন্দ্র বসু এবং তারপরে সুভাষচন্দ্র বসু। চিত্তরঞ্জন দাশ, শরৎচন্দ্র বসু নিজেরা অবশ্যই হিন্দু ছিলেন, কিন্তু তাঁরা সব সময় জাতীয় জীবনে মুসলমানদের সমান অধিকারের কথা বলেছেন। যারা সমান নাগরিকত্বেই বিশ্বাস করে না, তারা কী করে এঁদের নিজেদের বলে দাবি করে?

default-image

শরৎচন্দ্র বসু ও ফজলুল হক একত্রে অবিভক্ত বাংলার পক্ষে ছিলেন আর শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির বিভক্ত বাংলা। সম্পূর্ণ বিপরীত। দুটোকে তাহলে তাঁরা মেলাচ্ছেন কীভাবে?

সুগত বসু: দুটো সম্পূর্ণ বিপরীত। অবশ্য কংগ্রেসেরও কিছু ভুলভ্রান্তি ছিল। ১৯৩৭-৩৮ সালে শরৎচন্দ্র বসু, সুভাষচন্দ্র, এখানে ফজলুল হকের কৃষক প্রজা পার্টির প্রায় সবাই একসঙ্গে কোয়ালিশন সরকার করতে চাইছেন। তাতে হিন্দু প্রতিনিধিত্ব থাকবে, মুসলমান প্রতিনিধিত্ব থাকবে। তা করতে দেয়নি কংগ্রেসের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব। শেষ পর্যন্ত সেটা শরৎচন্দ্র করতে পারলেন ১৯৪১-এর ডিসেম্বরে। কিন্তু সেই সরকার ক্ষমতা নেওয়ার এক দিন আগে তাঁকে গ্রেপ্তার করে জেলে রাখা হলো চার বছরের জন্য। হিন্দু-মুসলিম ঐক্য প্রচেষ্টা বড় ধাক্কা খেয়েছিল।

আপনার কি মনে হয় সুভাষচন্দ্র বসুর সঙ্গে মোহনদাস গান্ধীর মতবিরোধের জায়গাটাকে বিজেপি ব্যবহার করতে চেষ্টা করছে?

সুগত বসু: গান্ধীজি ও নেতাজির মধ্যে যথেষ্ট মিল ছিল হিন্দু-মুসলমান ঐক্যের প্রশ্নে। তাঁদের মধ্যে ১৯৩৯ সালে খুব অল্প সময়ের জন্য একটা মতপার্থক্য হয়েছিল। কিন্তু ১৯২১ সাল থেকে তাঁদের মধ্যে একটা নিবিড় ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার সম্পর্ক ছিল। ১৯৪২ সালের জুনে গান্ধীজি তাঁর অন্যতম জীবনীকার লুই ফিশারকে বলেছেন যে নেতাজি হচ্ছেন ‘দেশপ্রেমিকদের মধ্যেও দেশপ্রেমিক’। ১৯৪৪ সালে নেতাজিই প্রথম গান্ধীজিকে ‘জাতির জনক’ বলে গ্রহণ করলেন। আমি ১৯৪৫ থেকে ১৯৪৮-এর জানুয়ারি পর্যন্ত গান্ধীজির সব লেখায় দেখেছি, তিনি দ্বিধাহীনভাবে নেতাজির প্রশংসা করেছেন। আজকের এই সময়ে আমাদের গান্ধীজিকেও প্রয়োজন, নেতাজিকেও।

নেতাজির আরেকটা দিক হলো সামরিক দিক। তাঁর জন্মদিনকে ‘পরাক্রম দিবস’ হিসেবে বিজেপি চিহ্নিত করেছে। বিজেপি সামরিক দর্শনে বিশ্বাসী একটা দল বলেই কি নেতাজির এই দিকটাকে ধরে নিজেদের বলে দাবি করার চেষ্টা করছে?

সুগত বসু: নেতাজি কেবলই যোদ্ধা ছিলেন না। তাঁর সুচিন্তিত অভিমত ছিল ভারতবর্ষের সামাজিক আর অর্থনৈতিক পুনর্গঠন নিয়ে। তিনি সেই বিশের দশক থেকে স্বাধীনতার পরে চেয়ে আসছিলেন একটা স্বাধীন যুক্তরাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র।

আমরা যদি যোদ্ধা নেতাজিকেও দেখি, তাহলে তো দেখতে হবে কারা তাঁর সহযোদ্ধা ছিলেন। নেতাজি গোপনে ১৯৪১ সালে কলকাতা ত্যাগ করার পরে এই বাড়ি থেকে শিশিরকুমার বসু নেতাজিকে নিয়ে প্রথমে গেলেন ঝাড়খন্ডের গোমো, সেখান থেকে পেশোয়ারে। কিন্তু পেশোয়ারে কে অপেক্ষা করছিলেন? পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের স্বাধীনতাসংগ্রামী মিয়া আকবর শাহ। তারপরে যখন উনি ইউরোপ থেকে এশিয়া আসছেন, তখন কাকে বেছে নিলেন সঙ্গী হিসেবে? আবিদ হাসানকে। তিনি ইউরোপে নেতাজির সঙ্গে ছিলেন, এশিয়ায় আসার সময় ডুবোজাহাজে ছিলেন ৯০ দিন। ইম্ফলে যুদ্ধ করতে গিয়েছিলেন। আজাদ হিন্দ ফৌজের প্রতিটি ছোট ব্যাটালিয়নের মধ্যেও হিন্দু শিখ মুসলমান খ্রিষ্টান সবাই ছিলেন। সবই মিশ্র রেজিমেন্ট ছিল। ইম্ফলে আজাদ হিন্দ ফৌজের যে প্রথম ডিভিশন যুদ্ধ করেছিল, তার কমান্ডার ছিলেন মোহাম্মদ জামান কিয়ানি। ফৌজের প্রথম ডিভিশনের গান্ধী ব্রিগেডের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ইনায়েত জান কিয়ানি। মণিপুরের ময়রাংয়ে ভারতের পতাকা যিনি তুলেছিলেন, তাঁর নাম ছিল শওকত মালিক। একেবারে শেষ বিমানযাত্রায় যিনি নেতাজির সঙ্গী ছিলেন, তাঁর নাম হাবিবুর রহমান। আজাদ হিন্দ ফৌজের স্মারক তৈরি করেছিলেন সিরিল জন স্ট্রেসি। নানা ভাষাভাষী মানুষও ছিলেন। ইংরেজদের ‘মার্শাল রেস’-এর তত্ত্বকে তো তিনি ভেঙে চুরমার করে দিয়েছিলেন। পাঞ্জাবি আর পাঠানরা যেমন ফৌজে ছিল, তামিলরা ছিল দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায়, বাঙালিরা ছিল। আর লালকেল্লায় তো আমরা জানি, যে তিনজনের বিচার হয়েছিল তাঁরা ছিলেন প্রেমকুমার সায়গল, গুরবক্স শিং ধিলোঁ আর শাহনওয়াজ খান।

এই সহযোদ্ধাদের নামগুলো যদি পরপর বলে যাই, তাহলেই বোঝা যাবে কারা নেতাজির সঙ্গে স্বাধীনতার লড়াই লড়েছিলেন। যোদ্ধা নেতাজির পরাক্রমের কথা বলার সময় তো এই সহযোদ্ধাদের কথা একবারও বলা হয় না।

বিজ্ঞাপন
default-image

প্রথম আলো: বর্তমান প্রেক্ষাপটে কি আপনার আবারও রাজনীতিতে আসা উচিত বলে মনে হয়? একটু অন্যভাবে বললে আমরা একটা যুগসন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। ইতিহাস হয়তো প্রশ্ন করবে এই সময়ে কে কোন দিকে ছিলেন।

সুগত বসু: আমি সক্রিয় রাজনীতিতে এসেছিলাম ২০১৪ সালে, কারণ একটা সংকট আমি দেখতে পাচ্ছিলাম। কিন্তু বিজেপিবিরোধী দলগুলো ভালো ফল করতে পারেনি। এ অবস্থায় পাঁচ বছর ধরে আমি চেষ্টা করেছি নীতিগতভাবে এই ধর্মীয় সংখ্যাগুরুবাদের বিরোধিতা করতে। বিভিন্ন বক্তৃতায় বলেছি যে সংখ্যাগুরুবাদের সঙ্গে গণতন্ত্রকে গুলিয়ে দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। দুটো এক জিনিস নয়।

যখনই পররাষ্ট্রনীতি বা জাতীয় স্বার্থের প্রশ্ন উঠেছে, দল বা রাজনৈতিক স্বার্থে এসবের ঊর্ধ্বে উঠেছি। আজকে একটু জোর গলাতেই বলতে পারি, আমি যদি সংসদের পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক কমিটিতে না থাকতাম এবং যে অবস্থান নিয়েছিলাম তা না নিতাম, তাহলে বাংলাদেশের সঙ্গে সীমান্ত নির্ধারণের চুক্তিটি হতো না। দুঃখের বিষয় হলো, এখন যাঁরা দিল্লিতে ক্ষমতায় আছেন, তাঁরা একটা বিদ্বেষ আর বিভেদের রাজনীতি করে নির্বাচনে জেতার চেষ্টা করছেন। এখানেও চেষ্টা হচ্ছে কীভাবে বাংলায় বিদ্বেষ সৃষ্টি করে জেতা যায়। এত বড় সংকট ১৯৪৭ সালের পরে বাংলায় আর আসেনি। এই সর্বনাশ থেকে বাংলাকে বাঁচাতে হবে।

প্রত্যেক মানুষেরই একাধিক সত্তা থাকে। আমি প্রাথমিকভাবে একজন ইতিহাসবিদ। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম ২০১৯ সালের নির্বাচনে না দাঁড়ানোর। তার মানে এই নয় যে আমি জনজীবন থেকে সরে যাচ্ছি। আমি জনজীবনে থাকব। আমার মনে হয়, আরও যাঁরা পারেন তাঁদেরও একটি নীতিগত অবস্থান নেওয়া ভালো। আমি কীভাবে এ কাজে যোগ দিতে পারি, ভেবেচিন্তে নিশ্চয়ই সে পদক্ষেপ নেব।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন