রাজধানীর কয়েকটি শপিং মল ঘুরে দেখা গেল এ দৃশ্য। উৎসবকে কেন্দ্র করে মা–বাবা যখন পার্টি ড্রেস বা সারারা-ঘারারা নামের পোশাক পছন্দ করছে, তখন অধিকাংশ শিশুর আবদার সাধারণ সুতি ফ্রক বা স্কার্ট। তবে ছেলে বাচ্চাদের ব্যাপারটা একটু ভিন্ন। হালফ্যাশনে আসা ‘কাঁচা বাদাম প্যান্ট’ নিয়ে আগ্রহ সাত থেকে দশ, বারো বছর বয়সী ছেলেদের। এর সঙ্গে মিলিয়ে কেনা হচ্ছে টি-শার্ট। বসুন্ধরা শপিং মলের নিচতলায় মার্ভেল হিরো নামে শিশুদের পোশাক বিক্রির দোকানে এই প্যান্টগুলোর দাম শুরু হয়েছে তিন হাজার টাকা থেকে। দামাদামি করে অবশ্য কিছুটা কমানো যাচ্ছে।

তবে দেশী দশের মতো বুটিকের দোকানগুলোতে যাঁরা পোশাক কিনতে যাচ্ছেন, তাঁদের পছন্দ একটু ভিন্ন। এসব দোকানের পোশাক তৈরি করেন নিজস্ব ডিজাইনার ও কারিগরেরা। গ্রীষ্মকাল মাথায় রেখে ঈদের আগে শিশুদের জন্য সুতির পোশাক আনা হয়েছে। সাদা-কালো, অঞ্জন’স, নাগরদোলা বা বাংলার মেলায় পাওয়া যাচ্ছে শিশুদের হাফ হাতার শার্ট আর পায়জামা-পাঞ্জাবি।

এখানে এসেও শিশুরা নিজেদের পছন্দকে প্রাধান্য দিয়ে রং নির্বাচন করছে। কলাবাগান থেকে আসা ছোট্ট আরাফাত মান–অভিমান করে শেষ পর্যন্ত আকাশি রঙের পাঞ্জাবিই কিনেছে। ওর মায়ের পছন্দ ছিল সুতার কাজের সবুজ একটা পাঞ্জাবি।

আড়ংয়ে দেখা গেল প্রতিবারের মতো মেয়ে বাচ্চাদের জন্য ফ্রক আর সালোয়ার কামিজ রয়েছে। টি–শার্টের চেয়ে এখানকার পাঞ্জাবির দিকে ছেলে শিশুদের আগ্রহ বেশি। গরমে স্বস্তিদায়ক পোশাকের কথা মাথায় রেখেই হালকা রঙের পোশাকের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। তবে সুতি পোশাকের সঙ্গে এক কোনায় জায়গা করে নিয়েছে কয়েকটি পার্টি পোশাকও। মধ্যবিত্তের নাগালের মধ্যে আছে এসব পোশাকের দাম।

তবে স্বল্প আয়ের মানুষের ভরসা নিউমার্কেট বা এর কাছাকাছি দোকানগুলো। বঙ্গবাজারে যাচ্ছেন অনেক মানুষ। তাঁর সন্তানের জন্য সুলভ মূল্যে সুন্দর একটি জামা খুঁজতে। তুলনামূলকভাবে শিশুদের পোশাক বিক্রি ভালো হচ্ছে বলে জানালেন বিক্রেতারা।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন