বিজ্ঞাপন

শনিবার বিকেলে পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে বন্ধুদের নিয়ে ঘুরতে এসেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্র মোহাম্মদ তারেক। করোনার মধ্যে ঘুরে বেড়ানোর কারণ জানতে চাইলে বলেন, ঠিক পরিকল্পনা করে এখানে আসা হয় না। পাড়ার বন্ধুরা মিলে আড্ডা দিতে দিতে হুট করে সমুদ্রসৈকতে আসার সিদ্ধান্ত হয়।

স্ত্রী আর সন্তানদের নিয়ে সৈকতে বেড়াতে এসেছিলেন মো. শাহজাহান। তিনি বলেন, ‘বউ-বাচ্চাদের নিয়ে তেমন কোথাও ঘুরতে যাওয়া হয় না। এখন ঈদের সময়। তাই একটু বেড়াতে বের হয়েছি।’

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুজন চন্দ্র রায় ও হুছাইন মুহাম্মদ নগরের পতেঙ্গা ও ইপিজেড এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় ২২টি মামলা ও ১ হাজার ৮৮০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। একই সঙ্গে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দর্শনার্থীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়। প্রশাসনের নির্দেশে একপর্যায়ে সেখানে থাকা দর্শনার্থীরা চলে যান। তবে প্রশাসনের লোকজন চলে গেলে কিছুক্ষণের মধ্যে তাঁরা আবার সেখানে ফিরে আসেন। এ সময় তাঁরা মুখের মাস্ক খুলে ঘুরে বেড়াতে থাকেন।

নগরের ২ নম্বর গেটের বিপ্লব উদ্যানজুড়ে ছিল প্রচুর মানুষের ভিড়। বেড়াতে আসা লোকজন উদ্যানে দল বেঁধে আড্ডা দিচ্ছিলেন। অনেকে হেঁটে সময় পার করছিলেন। তবে উদ্যানের দোকানগুলো বন্ধ ছিল।

এদিকে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা নগরের সিআরবি, ডিসি হিল, কাজীর দেউড়ি, ফয়’স লেক এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন