বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ঠিকাদারের সঙ্গে চুক্তি অনুসারে, এ বছরের জুনে পদ্মা সেতুর কাজ শেষ হলেও প্রকল্পের মেয়াদ ধরা হয়েছে আগামী বছর জুন পর্যন্ত। শেষ এক বছর রাখা হয়েছে ডিফেক্ট লায়াবিলিটি পিরিয়ড (ডিএলপি) হিসেবে। এই এক বছরে সেতুতে কোনো ত্রুটি দেখা দিলে তা ঠিকাদার নিজেদের টাকায় ঠিক করে দেবে। অন্যদিকে ঠিকাদারের কিছু পাওনা থাকলে সেটা মেটাবে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ। প্রকল্প পরিচালকের নতুন চুক্তির ফলে তিনি প্রকল্পের শেষ দিন পর্যন্ত থাকছেন।

শফিকুল ইসলাম সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের (সওজ) অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ছিলেন। দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের অভিযোগ ওঠায় আগের প্রকল্প পরিচালক রফিকুল ইসলামকে বাদ দেয় সরকার। তাঁর স্থলে ২০১১ সালের নভেম্বরে পিডি হিসেবে নিয়োগ পান শফিকুল ইসলাম। অবসরে যাওয়ার পর ২০১৩ সালের ১ ডিসেম্বর তাঁকে চুক্তিভিত্তিতে পদ্মা সেতু প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক হিসেবে রেখে দেওয়া হয়। এরপর আরও চার দফা চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।

সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, পদ্মা সেতু প্রকল্পের ঠিকাদার নিয়োগ থেকে শুরু করে নির্মাণকাজের পুরোটা সম্পন্ন হয়েছে শফিকুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে। বড় স্থাপনা নির্মাণে তাঁর অভিজ্ঞতা, দক্ষতা এবং সততার জন্য সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে প্রশংসা করা হয়েছে। এ জন্যে পদ্মা সেতুর শেষ পর্যায়ে এসে সরকার নতুন কাউকে এর সঙ্গে যুক্ত করতে চায়নি।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন