চর ধীতপুর পশ্চিম পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চায়। গত ৯ অক্টোবর সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলায়
চর ধীতপুর পশ্চিম পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চায়। গত ৯ অক্টোবর সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলায় ছবি: গওহার নঈম ওয়ারা

চৌহালী সিরাজগঞ্জ জেলার প্রায় হারিয়ে যাওয়া এক উপজেলা। চৌহালী নামের মধ্যেই তার বিপন্নতা লুকিয়ে আছে। চার ফালি বা ফালি ফালি চর নিয়ে যমুনা নদীর বুকে বর্ষায় ডুবে থাকা আর শুকনায় জেগে ওঠা এ উপজেলায় এখন আর কোনো সরকারি পাকা দালান নেই। যমুনা সেতু আর খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল গড়ে ওঠার পর বদলে গেছে চরের দৃশ্যপট।

এখন কোনোমতে টিকে আছে চৌহালীর নাম। উপজেলার বিভিন্ন সরকারি অফিস এখন যেন ছেঁড়া মেঘের মতো। এগুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে টাঙ্গাইলের নাগরপুরের আশপাশে, যমুনা নদীসংলগ্ন এলাকায়। মানচিত্রের হিসাবে চৌহালী উপজেলার উত্তরে সিরাজগঞ্জের বেলকুচি, দক্ষিণে পাবনার বেড়া উপজেলা ও মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলা, পূর্বে টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলা এবং পশ্চিমে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলা।

বিজ্ঞাপন
যখন স্কুল খুলবে, আদৌ যদি খোলে, তত দিন চরধীতপুরের শিশুরা পেশাজীবীতে পরিণত হবে, মেয়েরা বালিকাবধূ হবে।

চৌহালী উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের চারটিই এখন নেই বললেই চলে। সদিয়া চাঁদপুর, স্থল, ঘোড়জান, উমারপুর, খাষকাউলিয়া, খাষপুকুরিয়া, বাঘুটিয়া ইউনিয়নের মধ্যে কোনটা কতটুকু আছে, কতটুকু নেই, সেটাও কেউ হলফ করে বলতে পারেন না। সাতটি ইউনিয়নে নানা মাপের প্রাথমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে ১৩৩টি। পাঁচটি মাদ্রাসাসহ এগুলো সব সরকার অনুমোদিত প্রাথমিক বৃত্তির হকদার প্রতিষ্ঠান। প্রায় ২৫ হাজার ৫০০ ছেলেমেয়ে করোনা সংক্রমণের আগে এসব প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া করত। এবারের বন্যায় আর গত বছরের ভাঙনে প্রায় ২০টি প্রতিষ্ঠান বরবাদ হয়ে গেছে। এগুলোর ভাঙা টিন ও কাঠ স্তূপ করে রাখা আছে। কোনো কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখনো পানিকাদায় ভরা। চেয়ার, টেবিল, বদনা, বেঞ্চ কিছুই নেই।

খাষকাউলিয়া ইউনিয়নের ১২৭ নম্বর চরধীতপুর পশ্চিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নথিতে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ছিল ২১৮, এর মধ্যে ১০৮ জন মেয়েশিশু। এখন কতজন আছে? কেউ জানে না। তাঁদের পুষ্টি নিয়ে সদ্য নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি খুবই চিন্তিত। লেখাপড়া নেই, স্কুল কখনো পানিবন্দী, কখনো কাদাবন্দী, কখনো নদীতে বিলীন। তাই বলে কিনে রাখা হাই প্রোটিন বিস্কুট গুদামে পড়ে থাকবে কেন? বিস্কুট বানানেওয়ালা আর বিস্কুট সরবরাহকারীরা ভুগবে কেন? দুই মাসের বিস্কুট একসঙ্গে বিতরণ করা হচ্ছে। পঞ্চম শ্রেণিতে পড়া ১১-১২ বছরের একজন শিশুর জন্য দুই মাসের বিস্কুট বহন করা হয়তো তেমন কষ্টের নয়। কিন্তু ছয় বছরের শিশুর জন্য সেটা একটা শক্ত বোঝা। কাদাপানি ভেঙে এক বাঁশের সাঁকো পেরিয়ে সেই বোঝা নিয়ে বাড়ি পৌঁছাতে হিমশিম শিশুরা। এরপরও কথা আছে, এত বিস্কুট কোথায়, কীভাবে রাখলে তার গুণগত মান বজায় থাকবে? পরের দুই মাস ধরে এসব বিস্কুট তাজা রেখে এস্তেমাল করা যাবে? বেশির ভাগ বাড়িতেই এত বিস্কুট সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেই। আর যেসব পরিবারের তিন ভাইবোন স্কুলে যায়, তাদের তো রাখতে হবে ছয় মাসের বিস্কুট। আরশোলা–ইঁদুরদের হাত থেকে রক্ষা করার ঝঁক্কিও কম নয়।

৯ অক্টোবর চরধীতপুর পশ্চিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণিপড়ুয়া সাগরিকার সঙ্গে এসব নিয়ে আলাপ করতে করতে সে একটু হেসে বলল, ‘স্যার, স্কুলডা খুলবেন না? হেডা ক্যান বন্ধ রাখছেন? আবার এত কথা জিগান?’ সে ও তার সহপাঠী বন্ধুরা সবাই বিরক্ত। তাদের মাথায় আসেনি কেন তাদের স্কুল বন্ধ করে দেওয়া হলো আর এখনো কেন খুলছে না। লেখাপড়া যদি না-ই থাকে, তাহলে বিস্কুট দিয়ে কী হবে?

আরজি পেশ করতেই সাগরিকা তার দলবল নিয়ে তাদের স্কুলের পথ দেখাল। মাঠের কাদা এখনো শুকায়নি। তিনটি টিনের ঘর। ঘরের মধ্য পা–ডোবা কাদা। স্কুলে কোনো সাইনবোর্ড নেই। তবে টিনের তৈরি টয়লেট আছে, চাপকল আছে। ঘরের মধ্যে কোনো চেয়ার–টেবিল নেই, বেঞ্চ নেই, ব্ল্যাকবোর্ডের দু-একটি আভাস আছে। স্কুলে কি সবাই দাঁড়িয়েই থাকে? স্কুলের এক কোণে কয়েকটি বেঞ্চ জোড়া দিয়ে একজন গৃহহীন দখল নিয়েছেন। বাকি আসবাব কোথায়? কিছু শিক্ষকদের বাড়িতে আছে। আশপাশে বিয়েশাদি হচ্ছে, এমন বাড়িতেও নিয়ে যাওয়া হয়েছে, যা মেহমানদারি কাজে লাগছে।

স্যার সব খুললেন এইটুক বাদ কেন? সিনেমা হল ওপেন করে দিল। মানুষ ফাঁক ফাঁক হয়ে বসবে শুনি। আমার টেম্পোতে লোক চড়ে গাদাগাদি করে। বাসেও তাই।
আলী কাওসার আলী কাওসার, টেম্পোচালক

বাল্যবিবাহের খবর আসছে

ছোট্ট মেয়ে সাগরিকা জানাল, যত দেরি হবে, তত সবকিছু হারিয়ে যাবে। তাদের ক্লাসের নয়জনের বিয়ে হয়ে গেছে এই গ্রাম থেকে। হাইস্কুলে যাওয়া সাতজন মেয়ের পাঁচজন এখন গ্রামছাড়া। কেউ বলে ঢাকায় চাকরি করে, কেউ বলে খালার বাসায়, কেউ বলে বিয়ে হয়ে গেছে। স্কুলের আসবাবের মতো এরাও যেন হারিয়ে যাচ্ছে। হারিয়ে যাচ্ছে শৈশব।

ইউনিসেফের ধারণার সঙ্গে সাগরিকার হিসাব মিলে যায়। ইউনিসেফের আশঙ্কা স্কুল বন্ধ থাকায় দুনিয়ায় ১ কোটি ১০ লাখ মেয়েশিশুর বিয়ে হয়ে যাবে। এ দেশে হেমন্তকাল গ্রামে বিয়ের মৌসুম। হেমন্ত ও শীতকালেই গ্রামে বিয়ে হয় বেশি। তখন স্কুলে পরীক্ষারও কাল। পরীক্ষার দোহাই দিয়ে, পাস করলে আরও পড়ার দোহাই দিয়ে মেয়েশিশুরা নিজেকে রক্ষা করত বাল্যবিবাহ থেকে। সেই পথ এখন বন্ধ। হাওর অঞ্চলে এপ্রিল থেকেই বাল্যবিবাহ বেড়ে যাওয়ার খবর আসছিল।

আলি কাওসার সাগরিকার চেয়ে বয়সে একটু বড়। হাইস্কুলে পড়ত অষ্টম শ্রেণিতে। এখন নাগরপুর-ঘিওর পথে ব্যাটারিচালিত টেম্পো চালায় সপ্তাহে তিন দিন, আর হাটের দিন হাট করে। বলল, ‘স্যার, সব খুললেন, এইটুক বাদ কেন? সিনেমা হল ওপেন করে দিল। মানুষ ফাঁক ফাঁক হয়ে বসবে শুনি। আমার টেম্পোতে লোক চড়ে গাদাগাদি করে। বাসেও তাই।’ কাওসারের কথা শেষ হয় না। টক শো টক শো গন্ধ এই কিশোরের কথায়। ট্রেনও চালু হয়েছিল একটা আসন পরপর টিকিট দিয়ে। হাটবাজার, হোটেল–রেস্তোরাঁ খুলেছিল আরও আগে।

ভিড়ের একপাশে আলখাল্লা পোশাকে চুপচাপ দাঁড়িয়ে ছিল বাঘুটিয়ার হামিদ বয়াতির ছেলে হিসামুদ্দিন। আলি কাওসার তাকে দেখিয়ে বলল, ‘ওরটা তো খুলে গেছে আরও আগে।’ মানিকগঞ্জের শিবালয়ের কাছে এক কওমি মাদ্রাসার ছাত্র হিসামুদ্দিন। কাওসার তাকে সাক্ষী মানে, ‘এই ক, তগো কোনো অসুবিধা হয়? করোনা ছড়ায়?’ হিসামুদ্দিন মিষ্টি হেসে মাথা নাড়ায়। না তাদের কোনো অসুবিধা নেই। আগের চেয়ে ফাঁকে ফাঁকে বসে। হাত ধোয় বারবার।

চরধীতপুরে ইন্টারনেট নেই, অনলাইনে পড়ার সুযোগ নেই, পাড়ায় কোনো টেলিভিশনও নেই। মার্চের পর থেকে পড়াশোনা নেই। অনেকে ভুলে গেছে পড়তে, বিশেষ করে যারা কেবলই ভর্তি হয়েছিল স্কুলে। বাবা–মায়েরাও শিক্ষিত নয় যে দেখিয়ে দেবেন। এই শিশুরা এখন পড়া ভুলে যাওয়ার স্বাধীনতার চাপে খাবি খাচ্ছে।

মেয়েশিশুর বাবারা ঘটক খুঁজছেন। এখন আর পড়ার দোহাই নেই, পরীক্ষার দোহাই নেই। এবারের হেমন্ত ও শীতে বেশি করে হবে বাল্যবিবাহ। ডাঙ্গায়ই ঠেকানো যায় না, সেখানে চরের মেয়েদের বাল্যবিবাহ এবার ঠেকায় সাধ্য কার! যে ছেলে স্কুলে যেত, সে এখন রূপান্তরিত হচ্ছে শিশু জেলে, শিশু কৃষকে, শিশু শ্রমিকে। যখন স্কুল খুলবে, আদৌ যদি খোলে, তত দিন চরধীতপুরের শিশুরা পেশাজীবীতে পরিণত হবে, মেয়েরা বালিকাবধূ হবে।

বিজ্ঞাপন

জরুরি বিকল্প পথ উদ্ভাবন

শিশুরা তাদের শৈশবটাকে পচিয়ে ফেলতে চায় না। তারা শৈশব উপভোগ করতে চায়, সে জন্য তারা চায় পড়াশোনা শুরু হোক। স্কুল যদি খোলা না যায়, তবে অন্য কোনো পথে শিশুদের স্বাভাবিক শৈশব ফিরিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের।

যে কয়েক মাস গেছে যাক। আমরা ভরিয়ে তোলার চেষ্টা করি সেই ঘাটতিটুকু। এই শিশুরা দশ, কুড়ি বা পঞ্চাশ বছর পরে আমাদের যাতে বিদ্রূপ না করে, দেশটার ভবিষ্যৎ আমরা নষ্ট করলাম বলে। চরধীতপুর, ময়নামতি, নিকলী বা লালমাটিয়া সব জায়গার শিশু পড়াশোনায় ফিরতে উন্মুখ হয়ে আছে।

আর দেরি নয়, পড়াশোনা শুরু হোক। ক্লাসের শিক্ষার্থীর সংখ্যা অর্ধেক করে দুই পালায়, কিংবা অর্ধেক আজ, অর্ধেক কাল যেখানে যেটা খাটে সেভাবে শুরু করা যায়। তবে সাবধানে এগোতে হবে। নজরদারির মধ্যে রাখতে হবে। দরকার হলে দুই পা এগিয়ে এক পা পেছাতে হবে। কিন্তু কাজ শুরু করতে হবে। সঠিক তথ্য দিলে শিক্ষার্থীরা তাদের স্বাস্থ্যবিধি তৈরি করে নেবে। এটাও করোনাকাল মোকবিলার একটা পথ।

ফিলিপাইন তাদের কমিউনিটি রেডিও প্রথম থেকেই কাজে লাগিয়েছে। আমাদের সে সুযোগ ছিল। সুযোগ এখনো আছে। ইউনিয়ন তথ্যকেন্দ্রগুলো খুব সহজেই পড়াশোনার রেডিও চালু করতে পারে। কম খরচে দূর শিক্ষণের এমন সুযোগ আর কি হতে পারে। বেসরকারি উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানগুলো থেকেও শিশুদের শিক্ষণ প্রক্রিয়া শুরুর দাবি ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।

যেসব প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে খুলেছে, সেগুলোর করোনা পরিস্থিতির তথ্য জানা প্রয়োজন। তথ্য ছাড়া কেবল ধারণার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিলে আমরা এগোতে পারব না। এ কথা ভুলে গেলে চলবে না, কোনো মহামারিতে সারা দেশের পরিস্থিতি এক হয় না। এলাকাভিত্তিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে এলাকা উপযোগী ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও ভাবা যেতে পারে।

ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ নিজের ফেসবুকে স্কুল বন্ধ থাকার বিরূপ প্রভাব নিয়ে ছয়টি বিষয় তুলে ধরেছেন।

১. অনলাইনে শিক্ষা শহরের কিছু গুটি কয়েক স্কুল ছাড়া খুব একটা সফলভাবে তেমন কোথাও হচ্ছে না। শহরের বাইরে ছাত্রদের ঝরে পড়ার আশঙ্কা বেড়েছে বহু গুণ।

২. গ্রামে বাল্যবিবাহ দেওয়ার প্রবণতা আবার বাড়ছে।

৩. শহরে তরুণদের মধ্যে হতাশা, অপরাধপ্রবণতা ও মাদকাসক্তি বাড়ছে।

৪. ছয় মাস বন্ধ থাকার মানে শুধু ছয় মাসের শিখন বন্ধ নয়, লার্নিং লস আরও বেশি। এর অর্থ ছয় মাস আগে তারা যা জানত, তার বড় অংশের ভুলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

৫. ‘অটো প্রমোশন’ হলেও বাস্তবতা হলো ছেলেমেয়েদের জন্য এটি একটি হারানো বছর। এই বছরটির হারানো জ্ঞান তো কোনো না কোনোভাবে আসতেই হবে। শিক্ষাক্ষেত্রে অসাম্য বা ইনইকুয়ালিটি আবার অনেক গুণ বেড়ে যাবে।

৬. শিক্ষাকে কেন্দ্র করে অর্থনীতির একটা অংশ যুক্ত আছে। অনেক অভাবী ছাত্র শহরে টিউশনি করে নিজের খরচ চালান। তারা আজ নিঃস্ব। পড়াশোনা বন্ধ একদিকে, অন্যদিকে বেকারত্বের হাতছানি। মাঝখানে তিলে তিলে শেষ হয়ে যাওয়া। অনেক বেসরকারি স্কুল বিক্রি হয়ে গেছে, তাদের শিক্ষকেরা সর্বস্বান্ত।

শরীয়তপুরের একটি সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, ২০২০ শিক্ষা বছর আগামী বছরের মার্চে বা এপ্রিল পর্যন্ত টেনে নিলে আর সব ছুটি ছেঁটে ফেললে ক্ষতি অনেকটায় পুষিয়ে নেওয়া যাবে। সাবধানতার জন্য ছাত্রছাত্রীদের নাক–মুখ ঢেকে রাখার জন্য ছোট ছোট গামছা আর সাবানপানি দিয়ে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করা যেতে পারে, আজ এক দল, কাল আরেক দল পদ্ধতিতে পড়াশোনার ক্লাস চালু করা যেতে পারে। যেভাবেই হোক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে এর চেয়ে বেশি দেরি হলে ভয়ানক সামাজিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সবাইকে নিয়ে আলোচনা করে বিষয়টির একটা সুরাহা এখন সময়ের দাবি। গ্রহণযোগ্য তথ্য-উপাত্তের অবর্তমানে একতরফা সিদ্ধান্ত কারও জন্য মঙ্গল নয়।


● লেখক: গবেষক nayeem5508@gmail.com

মন্তব্য পড়ুন 0