আপত্তিকর ভিডিও ধারণের তথ্যপ্রমাণ মিলেছে। মুশফিকুর এসব স্বীকারও করেছেন। রিমান্ড শেষে কাল বৃহস্পতিবার তাঁকে আদালতে হাজির করা হবে।

মামলার বরাত দিয়ে পুলিশ বলেছে, ২০১৮ সালে মুশফিকুরের সঙ্গে মাটিকাটা এলাকায় পরিচয় হয় ভুক্তভোগী তরুণীর। সে সময় মুশফিকুর তাঁর বোনের বাসায় থাকতেন। এরপর হোয়াটসঅ্যাপে তরুণীর সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ হতো। একপর্যায়ে বন্ধুত্ব হয়।

২০১৯ সালের শুরুর দিকে সফল ওই তরুণীকে বোনের বাসায় ডেকে আনেন। এরপর তাঁদের মধ্যে সম্পর্ক হয়, যা গোপন ক্যামেরায় ভিডিও করেন মুশফিকুর। পরে ওই ভিডিও দেখিয়ে তরুণীর স্বজনদের কাছে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে এসব ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন