default-image

পর্যটনবিষয়ক প্রতিবেদনের জন্য ১০ জন সাংবাদিককে পুরস্কার দিয়েছে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড ও অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড ট্যুরিজম জার্নালিস্ট ফোরাম অব বাংলাদেশ-এটিজেএফবি। 

আজ শনিবার রাজধানীর হোটেল অবকাশ মিলনায়তনে ফেলোশিপপ্রাপ্তদের হাতে সদন ও পুরস্কারের চেক তুলে দেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন।

এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেন, পুরস্কার পাওয়া সাংবাদিকদের প্রতিবেদনগুলো পর্যটন শিল্পের বিকাশে সহায়তা করবে। তিনি বলেন, অনেক প্রতিবন্ধকতা থাকার পরও সাহস করেই ২০১৬ সালকে পর্যটন বর্ষ ঘোষণা করেছে সরকার। এর মাধ্যমে পর্যটন খাতে গতি আসবে।

পর্যটন খাতের উন্নয়নে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, পর্যটন খাতের বিকাশের বিদ্যমান সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে বাংলাদেশের পর্যটন খাতটি হতে পারে তৈরি পোশাক খাতের পর দ্বিতীয় বৃহত্তর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব খোরশেদ আলম চৌধুরী বলেন, পর্যটন খাতকে এগিয়ে নিতে এর প্রতিবন্ধকতাগুলো দূর করতে হবে। বিদেশি পর্যটকদের জন্য ই-ভিসা সুবিধা দেওয়া উচিত বলে মত দেন তিনি। এ ছাড়া তিন পার্বত্য জেলার পর্যটন নিয়ে লেখালেখি করার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এটিজেএফবির সভাপতি নাদিরা কিরন। আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান অপরূপ চৌধুরী, বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আখতারুজ্জামান জামান খান, কাজী ওয়াহিদুল আলম ও এটিজেএফবির সাধারণ সম্পাদক তানজিম আনোয়ার।

আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে সনদ ও চেক তুলে দেন। পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন, প্রথম আলোর শরিফুল হাসান, কালের কণ্ঠের মাসুদ রুমী, ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের নীলাদ্রি মহারত্ন, যুগান্তরের মিজান চৌধুরী, সমকালের কামরান সিদ্দীকি, ভোরের কাগজের ইমরান পাটওয়ারী, ইউএনবির এ কে এম মঈনউদ্দিন, বিটিভির খালিদ আহসান, সময় টিভির ইমতিয়াজ আহমেদ ও এটিএন নিউজের রাজীব ঘোষ। এঁদের প্রত্যেককে ৬০ হাজার টাকা ও সনদ প্রদান করা হয়।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0