অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সি এম শফি সামি বলেন, বাংলাদেশের অবস্থা এখনো শ্রীলঙ্কার মতো হয়নি। তবে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার বর্তমান অবস্থা থেকে বাংলাদেশের অনেক শিক্ষণীয় রয়েছে। তাই দেশে দ্বন্দ্ব-সংঘাতমূলক পরিস্থিতি পরিহার করে রাজনৈতিক সমঝোতায় আসা জরুরি।

ইমরান খান সরকারের পতনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রচ্ছন্ন ইঙ্গিত থাকলেও সেনাবাহিনীর সঙ্গে তাদের বিরোধ, শাসনব্যবস্থার দুর্বলতা ও নিজ জোটের অনৈক্যই অনেকাংশে দায়ী বলে মনে করেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের এই উপদেষ্টা।

সি এম শফি সামি বলেন, নবগঠিত শাহবাজ সরকারের অবস্থাও অত্যন্ত নাজুক। পিএমএলএন ও পিপিপি এই দুই প্রভাবশালী জোটের বর্তমান ঐক্য কত দিন থাকবে, তা দেখার বিষয়। বর্তমান সরকারের দেশ পরিচালনার সক্ষমতা ও জোটবদ্ধতার স্থায়িত্বের ওপর নির্ভর করছে ইমরান খানের ভবিষ্যৎ রাজনীতির সাফল্য। তবে ইমরান খানের জনপ্রিয়তা রয়েছে এবং তিনি মানুষকে উদ্বুদ্ধ করার ক্ষমতা রাখেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী। তিনি বলেন, পাকিস্তানের জনগণের জন্য সবচেয়ে বড় লজ্জার বিষয় হচ্ছে, তাঁদের সরকারগুলোর গ্রহণযোগ্যতা জনগণের কাছে যত ভালোই হোক না কেন, সামরিক বাহিনীর প্রত্যক্ষ সমর্থন ছাড়া তারা ক্ষমতায় থাকতে পারে না।

এ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটিকে পরাজিত করে গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের বিতার্কিকেরা জয়লাভ করেন। প্রতিযোগিতায় বিচারক ছিলেন অধ্যাপক আবু মোহাম্মদ রইস, এস এম মোর্শেদ, সাংবাদিক শাকিলা জেসমিন ও সাংবাদিক আঙ্গুর নাহার। প্রতিযোগিতা শেষে অংশগ্রহণকারী দলের মধে৵ ট্রফি ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন