default-image

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া যৌনপল্লিতে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে বিক্রির ঘটনায় শহীদুজ্জামান মোল্যা (৪০) নামের একজনকে গত শনিবার রাতে ফরিদপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শহীদুজ্জামান দীর্ঘদিন ধরে মানব পাচারের সঙ্গে জড়িত বলে পুলিশ জানিয়েছে।
শহীদুজ্জামান মোল্যার বাড়ি ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার পূর্ব খাবাসপুর এলাকায়। পুলিশ জানায়, গতকাল রোববার দুপুরে শহীদ মোল্যা জিজ্ঞাসাবাদে বলেছেন, গত মাসের শেষ দিকে ফরিদপুর সদরের একটি দাখিল মাদ্রাসার ওই ছাত্রী (১৩) তাঁর (শহীদুজ্জামান) মেয়ের সঙ্গে তাঁদের বাড়িতে বেড়াতে আসে। এর পর থেকে তিনি মেয়েটিকে যৌনপল্লিতে বিক্রির পরিকল্পনা করতে থাকেন। ৫ ফেব্রুয়ারি সকালে নিজের মেয়েকে দিয়ে ফোন করিয়ে ওই ছাত্রীকে বাড়িতে বেড়াতে আসার কথা জানান। এতে রাজি হলে দুপুরে তিনি তাঁর মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে মাদ্রাসার কাছ থেকে মেয়েটিকে প্রাইভেট কারে তোলেন। গাড়িতে ওঠামাত্র রুমালে চেতনানাশক ওষুধ দিয়ে মেয়েটিকে অচেতন করেন। এরপর দৌলতদিয়া পল্লির যৌনকর্মী সুমি আক্তারের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের পর বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে দৌলতদিয়া রেলস্টেশন এলাকার একটি বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে সুমির কাছে ৪০ হাজার টাকায় বিক্রি করে চলে যান তিনি।
গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম নাসির উল্যাহ বলেন, শহীদুজ্জামানকে রাজবাড়ীর মুখ্য বিচারিক হাকিমের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন