বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, চরদুয়ানী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মো. আবদুর রহমান জুয়েল ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মো. সোহাগ বাদশা মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। গতকাল মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে সোহাগ বাদশার প্রার্থিতা বাতিল করা হয়। তবে এতে তিন দিনের মধ্যে বরগুনা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে আপিলের সুযোগ আছে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের পাথরঘাটা শাখার সভাপতি শাহ আলম ও সাধারণ সম্পাদক মুনির প্রথম আলোকে বলেন, সোহাগ বাদশা চরদুয়ানী বাজারের শাওন ট্রেডার্স নামে একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ঋণের জামিনদাতা ছিলেন। তবে ঋণগ্রহীতা শাওন ট্রেডার্স ঋণ আগেই পরিশোধ করেছে। কিন্তু ২০১১ সালের এ ঋণ পরিশোধের চূড়ান্ত কাগজ দেখাতে না পারায় তাঁর প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে। এই বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল করার প্রস্তুতি চলছে।

সোহাগ বাদশা প্রথম আলোকে বলেন, ‘২০১১ সালে ব্র্যাক ব্যাংকের একটি ঋণের জামিনদার হয়েছিলাম। ওই ঋণগ্রহীতা শাওন ট্রেডার্স ঋণ পরিশোধ করেছে। তবে ঋণ পরিশোধের চূড়ান্ত প্রত্যয়নপত্র দেখাতে না পারায় প্রার্থিতা বাতিল হয়। তবে আমরা আশাবাদী আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পাব।’

চরদুয়ানীসহ পাথরঘাটা উপজেলার রায়হানপুর, নাচনাপাড়া ও পাথরঘাটা সদর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের দিন ছিল বৃহস্পতিবার। ১১ নভেম্বর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। এসব ইউনিয়নে ২৮ নভেম্বর ভোট গ্রহণের কথা আছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন