পর্যায় ৩

এই পর্যায়ে উপসর্গগুলো একটা লাফ দেয়, ফলে শরীর ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে এবং পতনের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। তবে রোগী কোনো সাহায্য ছাড়া তার দৈনন্দিন কার্যক্রম চালাতে পারেন।

পর্যায় ৪

রোগটির এ পর্যায়ে রোগীর উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটে। কোনো সাহায্য ছাড়া দাঁড়াতে অসুবিধা হয়। অন্যান্য পেশির নড়াচড়া এবং প্রতিক্রিয়াও ধীর হয়ে যায়। রোগীকে একা রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।

পর্যায় ৫

এই পর্যায়ে রোগীর ২৪ ঘণ্টা সাহায্য প্রয়োজন। কারণ, রোগী নিজে কিছুই করতে পারেন না। হয় তিনি হুইলচেয়ারে থাকেন, নয়তো শয্যাশায়ী থাকেন।