সেনাবাহিনীর প্রধান সেনাসদস্যদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন। তিনি এসব ক্যাম্পে দায়িত্ব পালনরত সেনাসদস্যদের সামগ্রিক খোঁজখবর নেন। এ ছাড়া তাঁদের হাতে তুলে দেন ঈদ উপহারও। নিখাদ আনন্দঘন এমন মুহূর্তে উচ্ছ্বসিত সেনাসদস্যরাও।

সেনাবাহিনীর প্রধান প্রথমে রাঙামাটির পাংখুপাড়া আর্মি ক্যাম্পে যান। তিনি সেখান থেকে বাঘাইহাট জোন সদর দপ্তরে যান। সেখানে তিনি বলেন, ‘দুর্গম পাহাড়ে অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে সেনাবাহিনীর সদস্যরা কাজ করছেন। তাঁদের মনোবল বৃদ্ধি করতে ঈদের দিনে তাঁদের পাশে এসে দাঁড়াতে পেরে নিজেকে ভাগ্যবান ও ধন্য মনে করছি। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশে–বিদেশে সুনামের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে পার্বত্য চট্টগ্রামে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আত্মীয়স্বজন থেকে দূরে থেকে যাঁরা দায়িত্ব পালন করছেন, এই শুভদিনে তাঁদের অভিভাবক হিসেবে দেখতে এসেছি।’

default-image

এ সময় সেনাপ্রধান পবিত্র ঈদুল আজহার ত্যাগের মহিমায় সামাজিক ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে আত্মনিয়োগ করতে সেনাসদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সেনাবাহিনীর প্রধান বলেন, স্থানীয় জনগণের জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে সেনাবাহিনী যা যা প্রয়োজন, সব করবে।

পরে তিনি বাঘাইহাট জোন সদর দপ্তর থেকে দীঘিনালা জোন সদর দপ্তরে যান। সেখানে সৈনিক ও অফিসারদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজ করেন।

এ সময় ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি, সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পাংখুপাড়া আর্মি ক্যাম্প, বাঘাইহাট এবং দীঘিনালা জোনের অন্যান্য কর্মকর্তা এবং ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

আইএসপিআরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকাসহ সব সেনানিবাসে আজ যথাযথ ভাবগাম্ভীর্য এবং আনন্দ–উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ঈদুল আজহা পালিত হয়। সকালে সেনাবাহিনীর প্রধান ঢাকা সেনানিবাসের কেন্দ্রীয় মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করেন এবং সেখানে সেনাবাহিনীর সর্বস্তরের অফিসার, জেসিও এবং অন্যান্য পদবির সৈনিকদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন