বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অভিযোগপত্রে পি কে হালদার এবং তাঁর সহযোগী আরও ১৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। অন্য আসামিরা হলেন পি কে হালদারের মা লিলাবতী হালদার, বান্ধবী অবন্তিকা বড়াল, সহযোগী ও ঘনিষ্ঠজন শঙ্খ ব্যাপারী, সুকুমার মৃধা, অনিন্দিতা মৃধা, পূর্ণিমা রানী হালদার, উত্তম কুমার মিস্ত্রি, অমিতাভ অধিকারী, প্রীতিশ কুমার হালদার, রাজীব সোম, সুব্রত দাস, অনঙ্গ মোহন রায় ও স্বপন কুমার মিস্ত্রি।

এ বিষয়ে দুদকের সচিব মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার সাংবাদিকদের বলেন, পি কে হালদার নিজের অবৈধ সম্পদের প্রকৃত অবস্থান গোপন করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন কোম্পানি ও ব্যক্তিদের নামে ১৭৮টি ব্যাংক হিসাবে ৬ হাজার ৮০ কোটি ৮৬ লাখ ৪০ হাজার ১২৫ টাকা জমা ও উত্তোলন করেন। এটি অস্বাভাবিক লেনদেন, যা মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২–এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

অভিযোগপত্রে পি কে হালদারের বিরুদ্ধে অবৈধ উপায়ে প্রায় ১ দশমিক ১৭ কোটি কানাডিয়ান ডলারের সমপরিমাণ অর্থ কানাডায় পাচারেরও অভিযোগ আনা হয়েছে।
ক্যাসিনো অভিযানের ধারাবাহিকতায় পি কে হালদারের বিরুদ্ধে প্রায় ৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগ ওঠে। পরে দুদক অনুসন্ধানে নেমে ২০২০ সালের ৮ জানুয়ারি প্রায় ২৭৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পি কে হালদারের বিরুদ্ধে মামলা করে। ওই মামলায় আজ অভিযোগপত্র অনুমোদন দেওয়া হয়। শিগগিরই অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেওয়া হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে দুদকের সচিব বলেন, পি কে হালদারকে বিদেশ থেকে ফিরিয়ে আনা অত্যন্ত কঠিন কাজ। বড় আসামিদের আন্তরাষ্ট্রীয় সম্পর্কের মাধ্যমে ফিরিয়ে আনতে হয়। পি কে হালদারকেও দেশে ফিরিয়ে আনতে সব ধরনের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন