বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এর আগে সুপ্রিম কোর্টের ১০২ জন আইনজীবী চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি ওই রিটটি করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন, সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী।

পরে আইনজীবী শিশির মনির প্রথম আলোকে বলেন, রিটের শুনানি নিয়ে আদালত ২৮ নভেম্বর আদেশের জন্য দিন ধার্য করেছেন। কমিশন গঠনের সম্ভব্যতা যাচাইয়ে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি, অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক, অবসরপ্রাপ্ত সচিব, আইনের শিক্ষক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে রিটে।

রিট আবেদনকারীদের ভাষ্য, ন্যায়বিচারের জন্য প্রধান শর্ত সঠিক ও নিরপেক্ষ তদন্ত। সংবিধানের ৩৫ (৩) ও ২৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অপরাধের সুষ্ঠু তদন্ত ব্যক্তির মৌলিক অধিকার। বর্তমান আইনি কাঠামোতে পুলিশের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের তদন্তভার পুলিশের ওপরই ন্যস্ত। এতে তদন্ত প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ২০০৭ সালে পুলিশ অধ্যাদেশ নামে আইনের খসড়া প্রস্তুত করা হয়। প্রস্তাবিত অধ্যাদেশের ৭১ দফায় ‘পুলিশ কমপ্লেইন্ট কমিশন’ গঠনের বিধান প্রস্তাব করা হয়। তবে ওই খসড়া অধ্যাদেশ আইনে পরিণত হয়নি।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন