default-image

টপস আর জিনস প্যান্ট কিংবা সালোয়ার-কামিজ—পোশাক যেমনই হোক, সেটা হতে হবে হালফ্যাশনের। এখনকার তরুণেরা অন্তত এ বিষয়ে আপস করতে চান না। পোশাকে তাই ধরা পড়ে বয়সের উচ্ছ্বাস। মা–বাবারা যা–ই বলুন না কেন, তরুণেরা নিজেদের মেজাজের পোশাক ঠিকই খুঁজে নেন। মাটি ছোঁয়া গাউন আর সরু-সোজা জিনস প্যান্ট যেন তারুণ্যেরই প্রকাশ।
এবারের ঈদে গালভরা নামে অনেক পোশাক এসেছে বাজারে। সংবাদপত্রের কল্যাণে ‘কিরণমালা; বা ‘মোদি’র নাম ইতিমধ্যেই জেনেছে পাঠক। আসলে ক্রেতাদের টানতেই গাউন আর লম্বা ঝুলের পোশাকের এমন ভিন্ন নামকরণ। তরুণীরা ঝুঁকছেনও এই ট্রেন্ডের দিকে। তবে সালোয়ার-কামিজ, টপস আর জিনস প্রতিবছরের মতো এবারও পছন্দের শীর্ষে থাকছে। পাশ্চাত্যের প্রভাবে এ দেশের তরুণীদের মধ্যে জিনস, লেগিংস জনপ্রিয় হলেও সালোয়ার-কামিজও বাদ পড়েনি পছন্দ থেকে। এমব্রয়ডারি, চুমকি-জরি, জারদৌসি কিংবা কারচুপির কাজ থাকছে কামিজ আর ফতুয়ায়। দিনে গরমের কথা বিবেচনা করে হালকা ও রাতে ভারী কাজের জমকালো রঙের পোশাকই পছন্দ করছেন তরুণ-তরুণীরা।

default-image


বিপণিবিতান, রিয়াজউদ্দিন বাজার, মিমি সুপার মার্কেট, লাকি প্লাজা, আফমি প্লাজা, ইউনুসকো সিটি সেন্টার, আখতারুজ্জামান সেন্টার, সেন্ট্রাল প্লাজাসহ নগরের বিভিন্ন মার্কেটে এখন তরুণী ক্রেতারা ভিড় করছেন। এসব বিপণিকেন্দ্রে হালফ্যাশনের পোশাক ছাড়াও মিলছে জুতা, ব্যাগ, গয়না ও কসমেটিকস।
গাউনের ওপরে কারুকাজ করা কটি পরবেন অর্থনীতির শিক্ষার্থী কালাম ফেরদৌসীর। তিনি বলেন, ভারী পোশাকে একটু অস্বস্তি থাকলেও আভিজাত্যকে বাদ দেওয়া যায় না। এ জন্যই এমন পোশাকে আগ্রহ।

default-image


এখনকার তারুণ্যের কোনো দেশকাল নেই। টি–শার্ট, জিনস আর কনভার্স পরেন না কোন দেশের তরুণ? নগরের জহুর হকার্স মার্কেট, সানমার ওশান সিটি, আড়ং, শপিং কমপ্লেক্স, আফমি প্লাজা ও সাউথল্যান্ড সেন্টারের পাশাপাশি শহরে ছড়িয়ে থাকা নামী ব্র্যান্ডের দোকানগুলোতে তরুণ পোশাক মিলছে।

default-image


জিনস, চুড়িদার বা পায়জামা—সবকিছুর সঙ্গে চলে পাঞ্জাবি। লম্বা ও মাঝারি ঝুল এবারের ট্রেন্ড। সুতি, অ্যান্ডি, তাঁত, খাদি, সিল্কের কাপড়ে বাহারি কাজের পাঞ্জাবি এসেছে এবার। ঈদে অনেকেই পাঞ্জাবির আমেজেই থাকবেন। পরবেন দুটি। এ ক্ষেত্রে দিনের বেলায় হালকা কাজের আর রাতে পরবেন জমকালো ধাঁচের পাঞ্জাবি।
একাধিক পাঞ্জাবি কিনেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আসহাব উদ্দিন তালুকদার। তিনি বলেন, ‘সকালে সাদা পাঞ্জাবি আর বিকেলে উজ্জ্বল রঙের কাজ করা পাঞ্জাবি পরব।’

default-image


দরদাম: মেয়েদের গাউন দেড় হাজার থেকে আট হাজার, সালোয়ার-কামিজ দেড় হাজার থেকে তিন হাজার, টপস ও জিনস-লেগিংস দুই হাজার থেকে সাত হাজার ও ফতুয়া সাত শ থেকে আড়াই হাজার টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।
ছেলেদের পাঞ্জাবি এক হাজার থেকে চার হাজার, জিনস এক হাজার থেকে তিন হাজার, টি–শার্ট সাত শ থেকে আঠারো শ, শার্ট এক হাজার থেকে দুই হাজারের মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে।

default-image
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0