default-image

২০১৮ সালের প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় (লিখিত ও মৌখিক) উত্তীর্ণ ৩০ হাজার ব্যক্তিকে প্যানেল গঠন করে নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। আজ শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগপ্রত্যাশীরা এই দাবি জানিয়েছেন।

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্যানেল প্রত্যাশী কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান প্রথম আলোকে বলেন, ‘২০১৮ সালের প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন ২৪ লাখ চাকরিপ্রত্যাশী। এই পরীক্ষায় ৫৫ হাজার ২৯৫ জন উত্তীর্ণ হন। তাঁদের মধ্যে ১৮ হাজার সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। বাকিদের প্যানেলের মাধ্যমে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্যানেল প্রত্যাশী কয়েকজন জানান, ১৫ অক্টোবর মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে তাঁরা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করছিলেন। কিন্তু পুলিশ সেখানে মারধর করে। এতে তাঁদের ৩০ জন আহত হন। ১০ জন এখনো হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

বিজ্ঞাপন

কমিটির দেওয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে প্রায় ৫০ হাজারের বেশি সহকারী শিক্ষকের পদ খালি আছে। এই অবস্থায় কোভিড পরিস্থিতির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সার্কেল প্যানেল করে তাঁদের সরাসরি নিয়োগের দাবি জানানো হয়েছে।

চাকরিপ্রত্যাশী হুমায়ুন রশীদ প্রথম আলোকে বলেন, করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার ৩৯তম বিসিএস থেকে প্যানেল করে ২ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দিয়েছে। তাহলে কেন প্রাথমিক সহকারী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৩৭ হাজার ১৪৮ জন বঞ্চিত হবেন।

মন্তব্য পড়ুন 0