default-image

: টেবিলের ওপর রাখা অর্ধেক পানিপূর্ণ গ্লাসটির দিকে ইঙ্গিত করে পরীক্ষক জিজ্ঞেস করলেন, ‘আচ্ছা, বলুন তো, এই গ্লাসটি অর্ধেক ভরা নাকি অর্ধেক খালি?’
প্রকৌশলী পরীক্ষার্থী: স্যার, টেকনিক্যালি গ্লাসটি সম্পূর্ণ পূর্ণ—অর্ধেক পানি দিয়ে এবং বাকি অর্ধেক বাতাস দিয়ে!
: : ম্যাগনেশিয়াম আর অক্সিজেন বিক্রিয়া করলে কী হবে?
: কী হবে?
: OMG!
: ‘কার্বন’দের একটি চিকিত্সালয়।
কার্বন রোগী: ডাক্তার সাহেব, হাই প্রেশারে আমার কী ধরনের ক্ষতি হতে পারে?
কার্বন ডাক্তার: বিরাট ক্ষতি! কার্বনত্ব লোপ পেয়ে আপনি ডায়মন্ড হয়ে যেতে পারেন!

default-image

: ইঞ্জিনিয়ারিং–পড়ুয়া এক ছাত্র বাসে চড়ে বাসায় ফিরছে। কন্ডাক্টর ভাড়া না নিয়ে হেলপারের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। হঠাৎ খেপে গিয়ে ছাত্রটি বলে উঠল, ‘ওই মিয়া কন্ডাক্টর, ভাড়া নাও না কেন? সেমি কন্ডাক্টর হইছ?’
: প্রথম বন্ধু: (মন খারাপ করে) বুঝলাম না, স্যার কীভাবে জানলেন যে আমি তোর প্র্যাকটিক্যালের রিপোর্ট কপি করেছি!
দ্বিতীয় বন্ধু: জানবেন না তো কী? গত রাতে ফেসবুকে স্ট্যাটাস আপডেট করে তুই নিজেই তো জানিয়েছিস, ‘ইয়াহু, রিপোর্ট কপি করছি! ফিলিং অসাম!’
: সাদিক ও মামুন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়েছে একই ডিপার্টমেন্টে, থেকেছে একই হলে, ছিল সেশনাল মেট, শেষমেশ থিসিস পার্টনার। চাকরিও পেল একই কোম্পানিতে। একদিন কোম্পানির একজন ডিরেক্টর সাদিককে ডেকে পাঠালেন। কিন্তু উপস্থিত হলো মামুন! বস কিছুটা বিরক্ত। তিনি বললেন, ‘কী ব্যাপার! ডাকলাম সাদিককে, আর হাজির হলেন আপনি?’ মামুন বিনয়ের সঙ্গে বলল, ‘স্যার, আজকে আমি সাদিকের প্রক্সি দিচ্ছি। কিছু মনে করবেন না, পুরোনো অভ্যাস তো!’

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন