default-image

সুন্দরবনের শ্যালা নদীতে ডুবে যাওয়া তেলবাহী জাহাজ ওটি সাউদার্ন স্টার-৭-এর মালিক, নাবিক ও ক্রুদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান। আজ বুধবার সংসদে হাবিবুর রহমান মোল্লার টেবিলে উত্থাপিত এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
নৌপরিবহনমন্ত্রী বলেন, শ্যালা নদীতে তেলের জাহাজ ডুবে যাওয়ার বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর এবং তাতে কারও বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইনের প্রশ্নের জবাবে শাজাহান খান জানান, বিআইডব্লিউটিএর বেশির ভাগ ড্রেজার বর্তমানে মংলা-ঘষিয়াখালী চ্যানেলে জরুরি খননকাজে ব্যস্ত আছে। সেখানে খননকাজ শেষ হলে ড্রেজার অন্যান্য নদীর খননকাজে ব্যবহার করা যাবে।
উল্লেখ্য, গত ৯ ডিসেম্বর সুন্দরবনের শ্যালা নদীতে সাড়ে তিন লাখ লিটার জ্বালানি তেল নিয়ে ওটি সাউদার্ন স্টার জাহাজটি ডুবে যায়। এরপর পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি শ্যালা নদীতে নৌচলাচল বন্ধ রাখার সুপারিশ করে। কিন্তু নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সে অনুরোধ রাখেনি।

কাজী রোজীর প্রশ্নের জবাবে নৌপরিবহনমন্ত্রী বলেন, সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত শ্যালা নদী মংলা বন্দর থেকে দেশের উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত নৌপথের অংশ বিশেষ। শ্যালা নদীতে তেলবাহী জাহাজ ডুবে যাওয়ার পর শ্যালা নদীতে নৌচলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। পরে এই নদীর দুই প্রান্তে চার শতাধিক নৌযান অপেক্ষমাণ থাকায় এবং শ্রমিক ও মালিকদের আন্দোলনের প্রস্তুতির গ্রহণের ফলে শ্যালা নদীতে সাময়িকভাবে নৌচলাচল শুরু হয়। জুনের মধ্যে মংলা-ঘষিয়াখালী চ্যানেলের খননকাজ শেষ হলে শ্যালা নদীতে নৌচলাচল বন্ধ করে দেওয়া হবে।
মোহাম্মদ ইলিয়াসের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত কোনো রোগীর সন্ধান পাওয়া যায়নি।
আজ বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন