বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
দেশে এখন পর্যন্ত টিকা এসেছে প্রায় ৪ কোটি ৯৬ লাখ। তিন মাসে চীন থেকে এক কোটি ডোজ করে আসবে।

সরকার চীনের বেইজিং ইনস্টিটিউট অব বায়োলজিক্যাল প্রোডাক্টসের উৎপাদিত সাড়ে সাত কোটি ডোজ সিনোফার্ম টিকা কিনছে। গত মাসে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এক অনুষ্ঠানে সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর—এ তিন মাসে ছয় কোটি ডোজ সিনোফার্ম টিকা পাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। এদিকে চলতি মাসে এ পর্যন্ত দুই চালানে সিনোফার্মের ১ কোটি ৪ লাখ ডোজ টিকা ঢাকায় এসেছে।

বিভিন্ন উৎস থেকে টিকা সংগ্রহের প্রক্রিয়ায় যুক্ত সরকারের একাধিক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা গতকাল সন্ধ্যায় এই প্রতিবেদককে জানান, প্রতি মাসে দুই কোটি ডোজ করে নভেম্বর পর্যন্ত ছয় কোটি ডোজ সিনোফার্ম টিকা ঢাকায় পৌঁছানোর কথা। কোনো মাসে কিছুটা কম, কোনো মাসে কিছুটা বেশি হতে পারে। তবে তিন মাসে বাংলাদেশ ছয় কোটি ডোজ টিকা পাবে বলে চীনা প্রতিষ্ঠানটি নিশ্চিত করেছে।

টিকাদান পরিকল্পনা নিয়ে ফেসবুক লাইভে গতকাল সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বলেন, টিকাপ্রত্যাশীরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিবন্ধন করবেন এবং খুদে বার্তা (এসএমএস) পাওয়া সাপেক্ষে নির্ধারিত কেন্দ্র থেকে টিকা নেবেন। বয়স্ক ব্যক্তিরা যেন টিকা আগে পান, সেটি দেখা হবে।

শিশুদের টিকার বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল। স্কুলগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে। শিশুদের দ্রুততম সময়ের ভেতরে টিকার আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। প্রবাসী শ্রমিক ও বিদেশগামী শিক্ষার্থীসহ যাদের যে প্রতিষ্ঠানের উৎপাদিত টিকা দরকার, তাদের সেই টিকা দেওয়ার কার্যক্রম চলমান।

নিবন্ধন চার কোটির বেশি

দেশে এখন পর্যন্ত টিকা এসেছে ৪ কোটি ৯৫ লাখ ৮৫ হাজার ৮০ ডোজ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গতকাল পর্যন্ত ২ কোটি ২৪ লাখ ৯৪ হাজার ৫৬৫ জনকে এক ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে। আর দুই ডোজ টিকা পেয়েছেন ১ কোটি ৪৮ লাখ ২০ হাজার ৪৪২ জন। টিকার জন্য নিবন্ধন করেছেন মোট ৪ কোটি ২৫ লাখ ৯৫ হাজার ১৫০ জন। এর মধ্যে ৫ লাখ ৮৬ হাজার ২৭৪ জন পাসপোর্ট নম্বর দিয়ে নিবন্ধন করেছেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন