বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে শহীদজায়া মুশতারী শফী ও চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য গৌতম বুদ্ধ দাশকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অতিথিদের হাতে বন্ধুসভার সদস্যরা ক্রেস্ট ও ফুল তুলে দেন।

মুশতারী শফী বলেন, ‘নানা বাধা উতরে এগিয়ে যাক বাংলাদেশ। সেই সঙ্গে প্রথম আলো তার সামাজিক কাজ নিয়ে আরও এগিয়ে যাক, এই প্রত্যাশা করি।’

default-image

গৌতম বুদ্ধ দাশ বলেন, ‘প্রথম আলো না থাকলে আমার ছেলে আজ এমআইটিতে পড়তে পারত না। সে প্রথম আলোর গণিত অলিম্পিয়াডে অংশ নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দুবার ব্রোঞ্জপদক পেয়েছে। এই ধারাবাহিকতায় সে আজ প্রকৌশলী হয়ে টুইটারের মতো প্রতিষ্ঠানে কাজ করছে। এ জন্য আমি প্রথম আলোর কাছে কৃতজ্ঞ।’

স্বাগত বক্তব্যে প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক বিশ্বজিৎ চৌধুরী বলেন, ‘প্রথম আলো নানা ঘাত-প্রতিঘাত পেরিয়ে পাঠকের ভালোবাসায় এগিয়ে যাচ্ছে। সব সরকারের আমলে প্রথম আলো নানা বাধাবিপত্তির সম্মুখীন হয়েছে। তার সর্বশেষ উদাহরণ আমাদের সহকর্মী রোজিনা ইসলাম। তারপরও দমিয়ে রাখা যায়নি। রোজিনা আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়ে প্রমাণ করেছেন প্রথম আলো সঠিক পথেই আছে।’

প্রথম আলোর নানা সামাজিক কাজের প্রসঙ্গ টেনে বিশ্বজিৎ চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রামে প্রথম আলো প্রথম দিন থেকেই এক নম্বরে ছিল। এটা পাঠকের ভালোবাসায় সম্ভব হয়েছে।

default-image

শিল্পী শ্রেয়সী রায়ের রবীন্দ্রসংগীতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। আবৃত্তি পরিবেশন করেন প্রথম আলোর সাংবাদিক প্রণব বল ও বন্ধুসভার সদস্য বেনজির বিনতে শওকত। বন্ধুসভার ফাহিম উদ্দিনের সঞ্চালনায় সমাপনী বক্তব্য দেন বন্ধুসভার সভাপতি তাহমিনা সানজিদা।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রথম আলোকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানায় মানবিক পাঠশালা, তারুণ্যের উচ্ছ্বাস, বোধন ও সম্মিলিত আবৃত্তি জোট।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন