বিজ্ঞাপন

বিএফইউজের বিবৃতি

বিবৃতিতে বিএফইউজে বলেছে, গত বছরের ১ নভেম্বর দেশের বহুল প্রচারিত সংবাদপত্র প্রথম আলোর অঙ্গপ্রতিষ্ঠান কিশোর আলোর অনুষ্ঠানে (বর্ষপূর্তি) বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নাইমুল আবরারের দুঃখজনক মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পত্রিকাটির সম্পাদক মতিউর রহমানসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর আদালতে অভিযোগ গঠন করা অনভিপ্রেত। ওই অনুষ্ঠানে প্রথম আলো সম্পাদকের অনুপস্থিতি ও সরাসরি কোনো সংশ্লিষ্টতা না থাকার পরও অভিযোগ গঠন জনমনে প্রশ্নের সৃষ্টি করেছে। এটি সংবাদমাধ্যমে নতুন করে ভীতি ছড়ানো এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পথ পুরোপুরি রুদ্ধ করার ধারাবাহিক অপচেষ্টার অংশ।

বিএফইউজের দুই নেতা বলেন, দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুতে সত্যিকারের কোনো অবহেলা ও দায় থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হোক। কিন্তু ঘটনার পর সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে যেভাবে বক্তব্য ও নির্দেশনা এসেছে, তাতে তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়া প্রভাবিত হওয়ার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে। এতে পত্রিকাটির বিরুদ্ধে আক্রোশ প্রকাশ পেয়েছে।

সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধের অপকৌশল: রব

জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব বিবৃতিতে বলেছেন, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে এবং সত্য উন্মোচনের ক্ষেত্রে যতগুলো পত্রিকা আছে, তার মধ্যে অন্যতম প্রথম আলো। এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রথম আলোকে বাগে আনা বা শায়েস্তা করা বা জিঘাংসার বশবর্তী হয়ে পত্রিকাকে সংকটগ্রস্ত করার সরকারের দুরভিসন্ধির বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। গণমাধ্যম বা সংবাদপত্রকে সংকুচিত করে সমাজ থেকে ‘সত্য’ এবং ‘ন্যায়’ বিতাড়িত করার সরকারের বহু উদ্যোগ দেশবাসী প্রতিনিয়ত প্রত্যক্ষ করছে।

বিবৃতিতে জেএসডির সভাপতি বলেন, দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর মামলায় প্রথম আলো সম্পাদকসহ সব অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ন্যায়সংগত আইনগত প্রতিকার পাওয়ার সর্বজনীন অধিকারের সুরক্ষা দিতে হবে। মৃত্যুর মামলাকে কেন্দ্র করে গণমাধ্যম বা সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিয়ন্ত্রণে সরকারের ইচ্ছার প্রতিফলন যেন না ঘটে, সে প্রশ্নে সবাইকে যৌক্তিক ভূমিকা গ্রহণ করতে হবে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন