ডিএমপির গোয়েন্দা সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগ বলেছে, এক দিনের রিমান্ড শেষে আজ বুধবার হোরায়রাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রতারক খালিদ ভুয়া নিবন্ধিত সিম ব্যবহার করে বিভিন্ন ওয়েবসাইট, ফেসবুক ও অন্যান্য অনলাইন মাধ্যম থেকে টার্গেট করা ব্যক্তির মুঠোফোন নম্বর সংগ্রহ করে নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিব (পিএস), মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের পরিচয়ে প্রধানমন্ত্রীর করোনা তহবিলে দান করতে উদ্বুদ্ধ করতেন। পাল্টে ফেলতেন কণ্ঠ। টাকা নিতেন মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ভুয়া হিসাবের মাধ্যমে। প্রধানমন্ত্রীর বরাতে টাকা চাওয়ায় অনেকে যাচাই না করেই টাকা দিতেন।

অভিযান পরিচালনাকারী ডিএমপির অতিরিক্ত উপকমিশনার মো. নাজমুল হক আজ বিকেলে প্রথম আলোকে বলেন, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে ওই প্রতারক জানান, ১৫ হাজার টাকা করে তিনি শতাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে অন্তত ১৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। তাঁর মুঠোফোনে সরকারদলীয় অনেক সাংসদ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের নাম–ফোন নম্বর রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিব, আওয়ামী লীগের একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা ও মন্ত্রীদের পরিচয়ে ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন পাইয়ে দেওয়ার কথা বলেও অনেক প্রার্থীর কাছ থেকে টাকা আত্মসাৎ করেছেন তিনি।

পুলিশের ওই কর্মকর্তা বলেন, কিছুদিন ধরে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামালের নাম ব্যবহার করে চাঁদাবাজি হচ্ছে, এমন খবর পেয়ে তিনি রাজধানীর ধানমন্ডি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। গণমাধ্যমে এ নিয়ে খবর বের হলে গোয়েন্দা সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম তদন্ত করে প্রতারককে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করে।

প্রতারণার ঘটনায় আওয়ামী লীগ নেতা এস এম কামালের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত কার্তিক বিশ্বাস বাদী হয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেছেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন