বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট-পরবর্তী জাতীয় পরামর্শক সভায় আজ শনিবার এসব কথা বলেন বক্তারা। যৌথভাবে অনলাইনে এ সভার আয়োজন করে অভিবাসন ও উন্নয়নবিষয়ক বেসরকারি সংসদীয় ককাস, বাংলাদেশ সিভিল সোসাইটি ফর মাইগ্র্যান্টস (বিসিএসএম) ও অভিবাসন খাতের বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ওয়ারবি ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন।

বক্তারা বলেন, টিকার জন্য প্রবাসীরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। গ্রামে টিকার সুযোগ নেই তাঁদের। আবার শহরের কেন্দ্রগুলোতে অন্যদের সঙ্গে লাইন দিয়ে টিকা নিতে হচ্ছে প্রবাসীদের। টিকার জন্য এসএমএস পাচ্ছেন দেরিতে। এতে টিকা পেতে বেশি সময় লাগছে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রবাসীদের টিকার ব্যবস্থা করতে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে পারে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

পরামর্শক সভায় প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, শুধু প্রবাসী আয়ের বিষয় নয়, কর্মসংস্থান অনেক গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিবছর শ্রমবাজারে আসা মানুষের ৪০ শতাংশ বিভিন্ন দেশে যায়। এটি না হলে দেশে বেকারত্বের অবস্থা কী হতো, ভাবা যায় না।

আনিসুল ইসলাম আরও বলেন, প্রবাসী আয়ের প্রণোদনা অন্তত তিন শতাংশ করার আশা ছিল কিন্তু হলো না। বাজেটে প্রবাসী মন্ত্রণালয়ের জন্য ৭০১ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে, এটা কিছুই না। বাজেটের জন্য সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে সরকারের কাছে প্রস্তাব করার পরামর্শ দেন নাগরিক সমাজকে। শেষ দিকে অর্থ মন্ত্রণালয় বিবেচনায় নেওয়ার সময় পায় না।

বিসিএসএমের চেয়ার ও অভিবাসন খাতের বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান রামরুর নির্বাহী পরিচালক সি আর আবরার বলেন, প্রবাসী আয়ের প্রণোদনা বাড়ানো ও প্রভিডেন্ট ফান্ডের বিষয়ে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব নিয়ে কিছুই বলা হয়নি বাজেটে। করোনা পরিস্থিতিতে ফিরে আসা প্রবাসী কর্মীদের পুনরেকত্রকরণের বিষয়টিও প্রতিফলিত হয়নি বাজেটে।

পরামর্শক সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন অভিবাসন ও উন্নয়নবিষয়ক বেসরকারি সংসদীয় ককাসের সভাপতি ও সাংসদ শামীম হায়দার পাটোয়ারী। সঞ্চালনা করেন একই সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাহজাবীন খালেদ। এতে সাংসদদের মধ্যে আরও বক্তব্য দেন আদেলুর রহমান খান, রানা মোহাম্মদ, আদিবা আনজুম প্রমুখ।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন