বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জনসংযোগ দপ্তরের বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, স্থায়ী বহিষ্কারের সুপারিশ যে দুই শিক্ষার্থীর জন্য করা হয়েছে, তাঁরা হলেন অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের ২০১৭-২০১৮ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র মো. রাকিব হাসান এবং একই বর্ষের ভূতত্ত্ব বিভাগের ছাত্র ইশরাক হোসেন। আর আকতারুল করিম হলেন বাংলা বিভাগের ২০১৪-২০১৫ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা, বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের পরবর্তী সভায় দুই শিক্ষার্থীকে স্থায়ী বহিষ্কারের বিষয়টি উপস্থাপন করা হবে। অন্যদিকে আকতারুল করিমকে কেন স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে না, সে বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে৷

এ ছাড়া পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ৭২ জন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দেওয়া হয়েছে৷

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০১৯ সালের ২৩ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮৭ জন শিক্ষার্থীসহ ১২৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় সিআইডি৷ তাঁদের বিরুদ্ধে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইন এবং পাবলিক পরীক্ষা আইনে পৃথক দুটি অভিযোগপত্র দেওয়া হয়৷ অভিযোগপত্রে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮৭ জনের মধ্যে ৮৫ জনকে এর আগে তিন দফায় স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ৷ এবার বাকি দুই শিক্ষার্থীকেও বহিষ্কার করা হলো৷

অন্যদিকে সাময়িক বহিষ্কৃত আকতারুল করিম আগে ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন। তিনি ও তাঁর কয়েকজন সহযোগী সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এলাকায় নিয়মিত ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও মাদক বিক্রি করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে৷ এসব কারণে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানসহ ক্যাম্পাস এলাকার ছিন্নমূল মানুষের কাছে তিনি ‘উদ্যানের রাজা’ হিসেবে পরিচিত৷ চাঁদা না পেয়ে রাজধানীর চানখাঁরপুলে অবস্থিত শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের এক ওয়ার্ডবয়কে পিটিয়ে জখম করার ঘটনায় হওয়া মামলায় গত ২৬ জুলাই গ্রেপ্তার হন আকতারুল৷ তখন ছাত্রলীগ থেকে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়৷ ওই মামলায় সম্প্রতি জামিনে বেরিয়ে তিনি আবারও ছিনতাই ও মাদক ব্যবসা শুরু করেন বলে অভিযোগ ওঠে৷

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন