বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার এক যৌথ বিবৃতিতে বিশিষ্টজনেরা এই দাবি জানান। বিবৃতিতে বিশিষ্টজনেরা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন সময় সংগত কারণেই শিক্ষার্থীদের ওপর থেকে পরীক্ষা ও বইয়ের বোঝা কমানোর বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর সেই নির্দেশনার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে জাতীয় শিক্ষাক্রমের রূপরেখায়, যেখানে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা রাখা হয়নি। এটি দীর্ঘদিনের একটি অন্যতম প্রত্যাশিত বিষয় ছিল। জাতীয় শিক্ষানীতিতেও পঞ্চম শ্রেণির পরীক্ষাকে পাবলিক পরীক্ষা হিসেবে ধরা হয়নি। এর পরিবর্তে বলা হয়েছে স্থানীয়ভাবে উপজেলা, পৌরসভা বা থানা পর্যায়ে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে সমাপনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনাকে আমলে না নিয়ে এবং জাতীয় শিক্ষানীতিকে পাশ কাটিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ‘প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ড আইন-২০২১’ নামে একটি আইনের খসড়া তৈরি করে মতামতের জন্য ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে। শিক্ষানীতি ও জাতীয় শিক্ষাক্রম রূপরেখার নীতি ও অঙ্গীকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ড আইন প্রণয়নের উদ্যোগ কেন নেওয়া হলো, তা বোধগম্য নয়। করোনার কারণে গত বছর পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি, এ বছরও প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা নেওয়া হবে না বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে, সেখানে এই বোর্ড গঠনের প্রস্তাব কতটুকু যৌক্তিক ও বাস্তবসম্মত, তা প্রশ্নসাপেক্ষ।

বিশিষ্ট নাগরিকেরা আশা করছেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাঁদের উদ্বেগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল মেধা বিকাশে সহায়তার সুযোগ সৃষ্টি করবে।

বিবৃতিদাতা বিশিষ্টজনদের মধ্যে রয়েছেন সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ, কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ, সুলতানা কামাল, হোসেন জিল্লুর রহমান, রাশেদা কে চৌধূরী, সেলিনা হোসেন, রামেন্দু মজুমদার, সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, মনজুর আহমদ, মাহফুজা খানম, মামুনুর রশীদ, ইফতেখারুজ্জামান, বদিউল আলম মজুমদার, নাসির উদ্দীন ইউসুফ, শাহীন আনাম, কাজী ফারুক আহমেদ, এম এম আকাশ, মেসবাহ কামাল, সৈয়দা তাহমিনা আখতার, আবদুল মালেক, আবদুল হালিম, কাজী রফিকুল আলম, শফি আহমেদ, হান্নানা বেগম, ইলিয়াস কাঞ্চন, মোহাম্মদ আবদুল মজিদ, রোবায়েত ফেরদৌস, এম তারিক আহসান, সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, সারা হোসেন, ফারাহ কবীর, এজাজুল ইসলাম, বুলবুল মহলানবীশ, আনোয়ারা বেগম, এম এ মুহিত প্রমুখ।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন