বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিষয়টি নিয়ে এদিন আলোচনা তৈরি হয়। তবে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, হাইকোর্টের রায়ের পর ওই দুই আসামি কারাগার থেকে জেল আপিল করেন। এর ওপর ২০১৬ সালের নভেম্বরে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আপিল বিভাগে শুনানি হয়। ওই বছরের ১৫ নভেম্বর আপিল বিভাগ সেই জেল আপিল খারিজ করে দেন। পরে দুই আসামি রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করেন। ২০১৭ সালের ২২ অক্টোবর প্রাণভিক্ষার আবেদন নামঞ্জুর হয়। পরে তাঁদের ফাঁসি কার্যকর হয়। এ অবস্থায় ওই দুই আসামির করা নিয়মিত আপিল অকার্যকর হয়ে যাবে।

অন্যদিকে ঝড়ু ও মকিমের আইনজীবী আসিফ হাসান ও হুমায়ুন কবির প্রথম আলোকে বলেন, হাইকোর্টের রায়ের পর যথাসময়ে আপিল করা হয়। তবে মকিমের পরিবার জানিয়েছে, চার বছর আগে অর্থাৎ ২০১৭ সালে মকিমের ফাঁসি কার্যকর হয়। অপর আসামি ঝড়ুর মৃত্যুদণ্ডও একই সময়ে কার্যকর করা হয়। কিন্তু নিয়মিত আপিল নিষ্পত্তি হয়নি। আগামী সপ্তাহে এর ওপর শুনানি হতে পারে।

আসামিপক্ষের আইনজীবীর তথ্যমতে, ১৯৯৪ সালের ২৮ জুন চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা এলাকার সাবেক স্থানীয় ইউপি মেম্বার মনোয়ার হোসেন খুন হন। ওই ঘটনায় ঝড়ু, মকিমসহ অন্যদের বিরুদ্ধে মামলা হয়। মামলায় ২০০৮ সালের ১৭ এপ্রিল বিচারিক আদালত রায় দেন। রায়ে ঝড়ু, মকিমসহ তিনজনের মৃত্যুদণ্ড ও অন্য দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পরে আসামিদের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে শুনানির জন্য আসে। শুনানি শেষে ২০১৩ সালের জুলাই মাসে হাইকোর্ট রায় দেন। রায়ে ঝড়ু ও মকিমের মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকে। এর বিরুদ্ধে ওই বছরই তাঁরা পৃথক আপিল করেন, যার নম্বর হচ্ছে ১০৭/২০১৩ এবং ১১১/২০১৩। ‘ঝড়ু বনাম রাষ্ট্র’ শিরোনামে আপিল দুটি বুধবার ১১ নম্বর ক্রমিকে ছিল। এর আগের দিন ৩০ নম্বর ক্রমিকে ছিল।

মকিম ও ঝড়ুর বাড়ি মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ভোলাডাঙ্গা গ্রামে বলে জানান মকিমের ছেলে মোখলেছুর রহমান (৩৫)। পেশায় রাজমিস্ত্রি মোখলেছুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ২০১৭ সালে তাঁর বাবার ফাঁসি কার্যকর হয়। এর আগে কারা কর্তৃপক্ষ দেখা করার সুযোগ দেয়।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন