default-image

বিভ্রান্তি
আমার এক পরিচিত ভাই কুয়েটে পড়েন। একদিন এক বয়সী চাচা তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘কী বাবা, খবরটবর কী? পড়ালেখা করতেছ কেমন?’ ভাইয়া বিনয়ের সঙ্গে জবাব দিলেন, ‘এই তো চাচা, কুয়েটে পড়ছি।’ চাচা আঁতকে উঠে বললেন, ‘সর্বনাশ! কুয়াতে পড়ছিলা? হাত-পা ভাঙ্গে নাই তো? একটু সাবধানে চলবা না?’ কী উত্তর দেবেন বুঝতে না পেরে ভাইয়া কুয়ায় না পড়লেও গভীর জলে পড়েছিলেন সেদিন।
মেহজাবিন

মিল
আমাদের দেশের তদন্ত আর ভারতের টিভি সিরিয়াল একই জিনিস। কবে শেষ হবে কেউ জানে না!
কোরবান আলী
প্যাঁচের মজা

আম্মু সোফায় বসে কলকাতার সিরিয়াল দেখছিলেন। বিরক্ত হয়ে বললাম, ‘আম্মু, এসব ছাইপাঁশ না দেখলে হয় না? কোনো কারণ ছাড়াই সিরিয়ালগুলায় এমন প্যাঁচ। অকারণে শুধু প্যাঁচাতেই থাকে!’ আমার কথা শুনে আম্মু উত্তর দিলেন, ‘আরে বোকা, প্যাঁচানো জিনিসই তো মজা। দেখিস না জিলাপি খেতে কত মজা!’
পৌষী রাজকন্যা

default-image

উট
গণিত ক্লাস চলছিল। হঠাৎ ক্লাসরুমের ঠিক পাশের করিডর দিয়ে হেঁটে গেলেন এক স্যার। স্যারকে দেখিয়ে পাশে বসা সায়ন্তীকে বললাম, ‘বাহ্! স্যার কিউট!’ সায়ন্তী এটা শুনে রীতিমতো অবাক হয়ে বলল, ‘মানে? এটা কেমন প্রশ্ন? স্যার উট হবেন কেন?’ আমি বিরক্ত হয়ে বললাম, ‘আরে দূর, বললাম—স্যার কিউট।’ এবারও বুঝতে না পেরে জ্ঞান ঝাড়ল ও, ‘স্যার “কি উট” মানে? এমন প্রশ্ন না করে ক্লাসে মনোযোগ দাও।’
তাবাসসুম ইসলাম
আধুনিক হুমকি
সেদিন ছোট ভাই আবদার করতে শুরু করল, ‘ভাইয়া, চকলেট দাও, চকলেট দাও।’ পরদিন পরীক্ষা, আমি কীভাবে পড়া ফেলে ওর জন্য চকলেট কিনতে যাই! দিলাম এক ঝাড়ি, ‘কানের কাছে ঘ্যানর ঘ্যানর করিস না তো, থাপ্পড় দিব বিরক্ত করলে।’ ছোট ভাই খুব গম্ভীর মুখে বলল, ‘ঠিক আছে। পিসিতে তোমার ফেসবুকে সেভ পাসওয়ার্ড দিয়ে

লগ–ইন করা না? পরে উল্টা-পাল্টা স্ট্যাটাস দেখে আমাকে কিছু বলতে এসো না!’ লুৎফর রহমান

প্রশ্নোত্তর
একদিন আমাদের রসায়ন স্যার বোর্ডে একের পর এক প্রশ্ন লিখে যাচ্ছেন। সব প্রশ্নের উত্তর লিখতে হবে। প্রশ্ন দেখে আমাদের মাথায় হাত। এত প্রশ্ন লিখব কীভাবে? সাহস করে দাঁড়িয়ে বললাম, ‘স্যার, এতগুলা প্রশ্ন কীভাবে লিখব? একটু যদি প্রশ্ন কমিয়ে দিতেন…’ স্যার পেছন ফিরে হাসিমুখে উত্তর দিলেন, ‘আপনাকে তো আমি প্রশ্ন লিখতে বলি নাই, আপনি প্রশ্নের উত্তর লেখেন!’
আশরাফ হোসেন
গ্রন্থনা: ফাহমিদা আলম

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন