বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ

জীবনের ধর্ম পারিপার্শ্বিক অবস্থার সঙ্গে খাপ খাইয়ে বেঁচে থাকা বা থাকার চেষ্টা করা; প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বেঁচে থাকার জন্য বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করা। ‘মানুষ মরে গেলে পচে যায়, বেঁচে থাকলে বদলায়, কারণে অকারণে বদলায়’, শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরীর রক্তাক্ত প্রান্তর–এর একটি সংলাপ। জীবাণুও তার ভেতর বিভিন্ন পরিবর্তন করে প্রতিনিয়ত। আর যদি প্রতিকূল অবস্থায় পড়ে, তা হয় আরও দ্রুত। সে তখন শত্রুর (এ ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক) কৌশলের বিরুদ্ধে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য নিজের জিনগত পরিবর্তনের মাধ্যমে তার যুদ্ধকৌশল তৈরি করে এবং অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী ‘স্ট্রেইনে’ (ধরন) পরিবর্তিত হয়। এভাবে জীবাণুটি অ্যান্টিবায়োটিককে ধ্বংস করে বা প্রতিরোধ করে। এটাই অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ বা অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স।

এই অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী স্ট্রেইন থেকে বিভাজনের মাধ্যমে যে নতুন প্রজন্মের বিস্তার হয়, তারাও অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হয়ে ওঠে। একটি জনগোষ্ঠীতে যত বেশি অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার, তত বেশি অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণু।

যে হাসপাতালের জীবাণু সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা কম, সেখানে মারাত্মক প্রতিরোধী জীবাণু (সুপারবাগ) জন্মায়। বেশি সংক্রমণ বা সংক্রমণের আশঙ্কায় অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহারও বেশি। তাই প্রায়ই এর অপব্যবহার বা অপর্যাপ্ত ব্যবহার হয়। আবার নতুন প্রতিরোধী জীবাণুর উদ্ভব ও নতুন সংক্রমণ হয়। এই দুষ্টচক্রের আবর্তন চলছেই।

default-image

মানুষের বাইরেও বিপুল পরিমাণ অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহৃত হচ্ছে। বিশ্বে যত অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহৃত হয়, তার ৭০ ভাগ ব্যবহার হয় গবাদিপশু পালন, হাঁস–মুরগি প্রতিপালন ও মৎস্য চাষে। বাংলাদেশে ব্যাপকভাবে গরু–ছাগল, হাঁস–মুরগি ও মাছের চাষ হচ্ছে। একটি ষাঁড়ের ওজন এক হাজার কেজি পর্যন্ত হতে পারে। একটি ষাঁড়ের জীবাণু সংক্রমণে একজন মানুষের চেয়ে ১০ থেকে ২০ গুণ বেশি পরিমাণ অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োজন হয়। হাঁস–মুরগি ও মৎস্য খামারে অ্যান্টিবায়োটিক, কৃমিনাশক ইত্যাদির ব্যবহার অনেক বেশি। কোনো খামারে কয়েকটি মুরগি অসুস্থ হলে, রোগনির্ণয় ছাড়াই অনেক সময় বিভিন্ন ওষুধের সমন্বয়ে একটি ককটেইল (অ্যান্টিবায়োটিকসহ) পানি বা খাদ্যের সঙ্গে পুরো খামারের সব মুরগিকে দেওয়া হয়। বেলা শেষে সেই খাদ্য বা পানি আশপাশের নিচু জমি বা জলাশয়ে ফেলে দেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে চোখের আড়ালে দুটি ঘটনা ঘটে। এক. প্রচুর অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার হলো এবং একই সঙ্গে অব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিক পানি বা মাটিতে শোষিত হলো। মৎস্য খামারের অবস্থা আরও জটিল। বাংলাদেশে মৎস্য খামারের ব্যবসা কিছুটা নতুন। আলাদা চিকিৎসক না থাকায়, যাঁরা মাছের খাবারের ব্যবসা করেন, তাঁদেরই দ্বারস্থ হন খামারিরা। এখানেও ককটেইল এবং অবধারিতভাবে অ্যান্টিবায়োটিক। বাংলাদেশে উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছ চাষ হওয়ার কারণে মাটি এবং মাটির গভীরে পানির স্তর (গ্রাউন্ড ওয়াটার) অ্যান্টিবায়োটিক শোষণ করছে। আর পরিশেষে খাবার ও পানির মাধ্যমে তা মানুষের শরীরে ঢুকে যায়।

বাংলাদেশ পরিস্থিতি

সারা পৃথিবীতে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধের সমস্যা থাকলেও উন্নত দেশগুলো সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাসহ অন্যান্য কার্যক্রমের কথা জানা যায়। উন্নত দেশের তুলনায় বাংলাদেশের মতো দেশগুলোতে এ সমস্যার মাত্রা অনেক বিস্তৃত ও গভীর। বিক্ষিপ্ত একাধিক গবেষণায় বাংলাদেশের পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।

২০১৫ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত পরিচালিত একটি গবেষণায় দেখা যায়, বাংলাদেশে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর ভেতর বহু ওষুধ প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়া বা ‘সুপারবাগ’ (যে জীবাণু একাধিক অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী) ক্রমান্বয়ে বেড়ে চলেছে এবং ২০১৫–এর তুলনায় ২০১৯ পর্যন্ত তা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।

অন্যদিকে ঢাকা শহরের একটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের মার্চ পর্যন্ত একটি গবেষণায় প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যায়, হাসপাতালে ব্যবহৃত ১৪টি অ্যান্টিবায়োটিকের প্রতিটি কোনো না কোনো মাত্রায় অকার্যকর। এর মধ্যে একটি অ্যান্টিবায়োটিক ৯৪ শতাংশ অকার্যকর।

default-image

রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে (আইইডিসিআর) ২০১৬ থেকে চলমান আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে, নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রের (আইসিইউ) রোগীদের শ্বাসনালির ভেতর থেকে সংগৃহীত লালায় পাওয়া তিন ধরনের জীবাণুর প্রতিরোধক্ষমতা রীতিমতো আতঙ্কজনক। ৭২ থেকে ১০০ শতাংশ জীবাণুই অধিকাংশ অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী। অপেক্ষাকৃত নতুন আবিষ্কৃত এবং দামি অ্যান্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে ৮৫ শতাংশ জীবাণু প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রের রোগীরা খুবই সংকটাপন্ন অবস্থায় থাকেন, তাঁদের জন্য অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার হওয়া দরকার বিজ্ঞানভিত্তিক।

সমস্যাটি নীরব; এসব বৈজ্ঞানিক গবেষণা বুঝিয়ে দিচ্ছে বাংলাদেশে পরিস্থিতির ভয়াবহতা। অন্যান্য দুর্যোগ, মহামারির কারণে এ সমস্যার গুরুত্ব অনেকাংশে কমে যায়। ভয়াবহতা তখনই বোঝা যায়, যখন কোনো ব্যক্তির আপনজন কোনো প্রতিরোধী জীবাণু দিয়ে আক্রান্ত হয় এবং চিকিৎসার জন্য কোনো অ্যান্টিবায়োটিক খুঁজে পাওয়া যায় না।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও গবেষকেরা বাংলাদেশে পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার পেছনের কিছু কারণ চিহ্নিত করেছেন। এর মধ্যে আছে: অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধের ব্যাপারে ধারণা না থাকা; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি ও ব্যবহার; পরিপূর্ণ মাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক না খাওয়া; দুর্বল সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা; হাসপাতালে রোগীর চাপ; বিশুদ্ধ পানি ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশের অভাব; হাসপাতাল, ওষুধ শিল্পকারখানা ও পরীক্ষাগারে অপরিশোধিত বর্জ্য-নিষ্কাশন; মানুষ, গবাদিপশু ও হাঁস–মুরগির মলমূত্রের সঙ্গে অ্যান্টিবায়োটিক বা তার অংশ মাটি ও পানিতে মেশা; রোগ শনাক্তে ভালো পরীক্ষাগারের অভাব; আইনের অভাব ও দুর্বলতা, তদারকির অভাব।

কোভিড–১৯ ও অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার

কোভিড মহামারিতে বাংলাদেশে যে পরিমাণ অ্যান্টিমাইক্রোবিয়ালসের অপব্যবহার হয়েছে, তা বোধ হয় অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। কোনো গবেষণাপত্র হাতে না থাকায় পরিসংখ্যান দেওয়া গেল না। কিন্তু জ্বর-কাশি হলেই মানুষ আইভারমেকটিন, ডক্সিসাইক্লিন, অ্যাজিথ্রোমাইসিন নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় খেয়েছেন। অনেকে প্রতিরোধক হিসেবে আইভারমেকটিন খেয়েছেন এবং পারিবারিকভাবে অন্যকে পরামর্শও দিয়েছেন। একইভাবে অনেক নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত চিকিৎসক, পল্লিচিকিৎসকও এসব ওষুধ লিখেছেন। দুই-এক বছর পর এগুলোর ফল হয়তো বোঝা যাবে।

নীতিমালা কী আছে

বাংলাদেশ সরকার ২০১৬ সালে ‘জাতীয় ঔষধ নীতি ২০১৬’ প্রণয়ন করে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো ‘জাতীয় অ্যান্টিবায়োটিক নীতিমালা’ তৈরি হয়নি। দেশে লাইসেন্সপ্রাপ্ত ফার্মেসির সংখ্যা ১ লাখ ২৫ হাজার; এর বাইরে আছে অগণিত ওষুধের দোকান, যেখানে অনিয়ন্ত্রিতভাবে ব্যবস্থাপত্র ছাড়াও অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি হচ্ছে। ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে সারা দেশে মডেল ফার্মেসি তৈরি হয়েছে, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। কিন্তু সংখ্যায় অনেক কম। ২০০৮ সালে মৎস্য ও পশুসম্পদ মন্ত্রণালয় জাতীয় পোলট্রি উন্নয়ন নীতিমালা এবং ২০১০ সালে গরু–ছাগল, হাঁস–মুরগি ও মাছের খাদ্যে অ্যান্টিবায়োটিকসহ অন্যান্য অ্যান্টিমাইক্রোবিয়ালস, হরমোন ও কীটনাশকের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়। কিন্তু জোরদার নজরদারির অভাবে তা কতটুকু প্রতিপালিত হচ্ছে, তা অজানা।

বিশ্ব অ্যান্টিবায়োটিক সপ্তাহ

পৃথিবীব্যাপী অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যাবহার বৃদ্ধি ও একই সঙ্গে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী অণুজীবের আশঙ্কাজনক বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে। ২০১১ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অ্যান্টিবায়োটিকের অকার্যকারিতাকে একটি মহামারির পদধ্বনি (পাবলিক হেলথ ইমার্জেন্সি অব ইন্টারন্যাশনাল কনসার্ন) হিসেবে আখ্যায়িত করে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য বিধিমালায় অন্তর্ভুক্তির অনুরোধ জানায় এবং সেটি গৃহীতও হয়।

পরিস্থিতির ভয়াবহতা সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করার উদ্দেশ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উদ্যোগে ২০১৫ সাল থেকে বিশ্ব অ্যান্টিবায়োটিক সচেতনতা সপ্তাহ পালন শুরু হয়। এ বছর ১৮ নভেম্বর থেকে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে সপ্তাহ শুরু হয়েছে। চলবে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত।

বাংলাদেশে গৃহীত পদক্ষেপ

বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশ ২০১১ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত একটি কর্মকৌশল এবং ২০১৭ থেকে ২০২২ পর্যন্ত একটি কর্মপরিকল্পনা তৈরি করে। ২০১৭ থেকে ২০২২ পর্যন্ত চতুর্থ সেক্টর প্রোগ্রামে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে সংক্রামক ব্যাধি নিয়ন্ত্রণ বিভাগের অধীনে একটি আলাদা কার্যক্রম আছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কর্মকৌশল ও কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী বাংলাদেশ তা (২০২১-২৬) হালনাগাদ করেছে। নীতিনির্ধারক থেকে শুরু করে প্রান্তিক মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধি করার জন্য পোস্টার, প্রচারপত্র বিতরণ, সভা–সমিতির আয়োজন করা অন্যতম কাজ।

অন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপগুলোর মধ্যে রয়েছে আন্তমন্ত্রণালয় ও আন্তবিভাগীয় সমন্বয়; নিয়মিতভাবে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ পর্যবেক্ষণ, পরীক্ষাগারের সক্ষমতা বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যসেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ; সবার জন্য বিশুদ্ধ পানি ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য স্থানীয় সরকারসহ অন্যান্য বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় বৃদ্ধি। অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ পরিবেশে ছড়ানো বন্ধ করার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের সঙ্গে কার্যক্রম বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ছাড়া যুক্তিসংগত ও বিজ্ঞানভিত্তিক অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগের ব্যাপারে কার্যক্রম নেওয়া হচ্ছে, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করার জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা করা হয়েছে, গবেষণাকে উৎসাহিত করার চেষ্টা চলছে এবং বৈশ্বিক সহযোগিতা ও অংশীদারত্ব বৃদ্ধির চেষ্টা চলছে।

আপাতদৃষ্টে দেখা যায় না, কিন্তু এভাবে চলতে থাকলে কোভিডের চেয়ে অনেক ভয়াবহ মহামারির পদধ্বনি শুনতে পাচ্ছেন বিজ্ঞানী ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। এই মহামারির ভেতরে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধের গুরুত্ব বোঝাতে ‘ওয়ান হেলথ গ্লোবাল লিডার্স গ্রুপ অন অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স’ নামে একটি নতুন আন্তর্জাতিক গ্রুপ তৈরি হয়েছে। এই গ্রুপের কো-চেয়ার হিসেবে মনোনীত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সঙ্গে বার্বাডোজের প্রধানমন্ত্রী মিয়া আমর মটলে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক সতর্ক করেছেন যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে, টিকা নিয়ে এবং কোভিড নিরাময়ে ওষুধ আবিষ্কারের ফলে এ মহামারি শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু এ অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ সমস্যা যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, সেই মহামারি প্রাণিকুলের অস্তিত্ব বিলীন করে দিতে পারে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন